ফের ভয়ঙ্কর রূপ নিচ্ছে করোনা পরিস্থিতি! একই মঠে একসঙ্গে ১০০ বৌদ্ধ ভিক্ষুক করোনা সংক্রমিত!

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের মুখে ফের এ রাজ্যে বাড়ল দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা!
আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের মুখে ফের এ রাজ্যে বাড়ল দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা! / ছবি সৌজন্যে- Facebook Post By @Wbdhfw (Representative Image)

বংনিউজ২৪x৭ডিজিটাল ডেস্কঃ ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী করোনা গ্রাফ। নতুন করে, করোনা সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। এই আবহে করোনার বাড়বাড়ন্ত নতুন করে আতঙ্ক তৈরি করেছে। সোমবার হিমাচলের ধর্মশালায় এক মঠে একইসঙ্গে ১০০ জন বৌদ্ধ ভিক্ষুকের করোনা সংক্রমণের রিপোর্ট সামনে এসেছে। পুরো এলাকাকে ইতিমধ্যেই কনন্টেইনমেন্ট জোন ঘোষণা করেছে সরকার।

স্থানীয় প্রশাসন সূত্রের খবর, এতো বিপুল সংখ্যায় মানুষ কীভাবে করোনায় আক্রান্ত হলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এদিকে এদিন ১০০ জনের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসায়, স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়।
জানা গিয়েছে, ওই মঠে এনিয়ে মোট ১৫৬ জন করোনা আক্রান্ত হলেন। এর সঙ্গেই হিমাচলে ফের করোনার ঊর্ধ্বমুখী গ্রাফ প্রশাসনের চিন্তার কারণ হয়ে উঠছে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, এখনই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব না হলে, দেশের করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আসার সম্ভবনা প্রবল।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এদিকে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে দ্বিতীয় দফার করোনা টিকাকরণ। দ্বিতীয় দফায় টিকা দেওয়া হচ্ছে ৬০ বছরের বেশি বয়স্ক এবং ৪৫ ঊর্ধ্ব ব্যক্তি যাঁদের কো-মর্বিডিটি রয়েছে তাঁদেরও টিকা দেওয়া হবে। উল্লেখ্য, করোনা টিকাকরণ দেওয়া শুরু হয়েছিল স্বাস্থ্যকর্মী, ডাক্তার, নার্স প্রভৃতি প্রথম সারির করোনা যোদ্ধাদের দিয়ে। সম্প্রতি করোনা টিকা নিয়ে কেন্দ্রের ঘোষণায়, আপাতত সরকারি কেন্দ্রগুলিতে বিনামূল্যেই টিকাকরণ প্রক্রিয়া চলবে।

১ মার্চ থেকে করোনার দ্বিতীয় দফার টিকাকরণ শুরু হয়েছে। ১০ হাজার সরকারি এবং ২০ হাজার বেসরকারি হাসপাতালের মাধ্যমে দেওয়া হবে এই করোনার টিকা। সরকারি ক্ষেত্রে এই টিকা পাওয়া যাবে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। তবে, বেসরকারি ক্ষেত্র থেকে এই টিকা নিতে গেলে দিতে হবে টাকা।

সরকারের তরফে ভ্যাকসিনের প্রতি ডোজের দাম ২৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। টিকাকরণের সময় বয়সের প্রমাণপত্র (আধার কার্ড বা EPIC কার্ড) দেখাতে হবে। এছাড়া কো-মর্বিডিটি থাকলে তার তথ্যও দেখাতে হবে। এই করোনা টিকা নিতে গেলে, আগে থেকে কো-উইন ০.২ (Co-WIN 2.0) অ্যাপের মাধ্যমে প্রি-রেজিস্ট্রেশন করানো যাবে। এছাড়াও আরোগ্য সেতুর মতো অ্যাপের মাধ্যমেও করোনার টিকা নিতে আগাম নাম নথিভুক্ত করা যাবে। এই অ্যাপগুলির মাধ্যমেই সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে দ্বিতীয় পর্যায়ে করোনার টিকাকরণ কবে হবে এবং তার সময় জানা যাবে। অন্যদিকে, আবার টিকাকরণ কেন্দ্রে গিয়েও এই রেজিস্ট্রেশন করানো যাবে। সরকারি ক্ষেত্রে টিকা নিতে গেলে কোনও টাকা দিতে হবে না। কিন্তু বেসরকারি ক্ষেত্রে টিকা নিতে গেলে, লাগবে ২৫০ টাকা।

সোমবার করোনা টিকা নিয়েছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি নিজেই টুইট করে সেকথা জানিয়েছেন। অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সে গিয়ে টিকা নেন মোদী। ভারতকে করোনা মুক্ত করতে দেশবাসীকে একজোট হওয়ার ডাক দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.