করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ব্যাপক সাফল্য অর্জন এই রাজ্যের! ১০০ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্কদের টিকা দিয়ে নজির

করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ব্যাপক সাফল্য অর্জন এই রাজ্যের! ১০০ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্কদের টিকা দিয়ে নজির
করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ব্যাপক সাফল্য অর্জন এই রাজ্যের! ১০০ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্কদের টিকা দিয়ে নজির / প্রতীকী ছবি

বংনিউজ ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ মারণ করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বড় অস্ত্র টিকাকরণ। বিশেষজ্ঞরা শুরু থেকেই বলে আসছেন, টিকাকরণ যত বেশি হারে হবে, ততই করোনাকে রোখা বা তার বিরুদ্ধে লড়াই সহজ হবে, কমবে মৃত্যুর হার। আর এবার করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বড় সাফল্য অর্জন করল হিমাচল প্রদেশ। এই রাজ্যের ১০০ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্কদেরই প্রথম ডোজ দেওয়া হয়ে গিয়েছে। এমনটাই জানিয়েছেন হিমাচল প্রদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডঃ রাজীব সৈজল।

বর্তমানে দেশজুড়ে ১৮ উর্ধ্বদের টিকাকরণ চলছে। টিকাকরণের দৌড়ে কেরল এগিয়ে থাকলেও, শেষ মুহূর্তে এই রাজ্যকে পেছনে ফেলে শীর্ষে উঠে এসেছে হিমাচল প্রদেশ। শনিবার এই রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন যে, রাজ্যের প্রত্যেক প্রাপ্ত বয়স্কদেরকেই করোনা টিকার একটি ডোজ দেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ‘রাজ্যে ১০০ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্কদেরই করোনা টিকার প্রথম ডোজ় দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা হয়েছে। আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে সকলের দ্বিতীয় ডোজ়ের টিকাকরণও সম্পূর্ণ করার লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে।’ এর পাশাপাশি তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রশংসা করে বলেন যে, ‘করোনা মোকাবিলা ও টিকাকরণ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আগেই হিমাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা করেছিলেন। আমাদের রাজ্য শুরু থেকেই করোনা সংক্রমণ মোকাবিলা ও টিকাকরণ নিয়ে ভাল কাজ করেছে।’ তিনি আরও জানিয়েছেন যে, শীঘ্রই এটি ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হবে, যেখানে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি রাজ্যের স্বাস্থ্যকর্মী ও টিকাপ্রাপকদের সঙ্গে কথা বলবেন। ডঃ রাজীব সৈজল টিকাকরণ প্রসঙ্গে জানিয়েছেন যে, সরকারি হিসেব অনুযায়ী, সকলেই টিকা পেয়ে গেলেও, রাজ্যের কোনও একজন বাসিন্দা করোনা টিকা নেওয়া থেকে বাদ পড়েছেন কিনা, তা খতিয়ে দেখা হবে, এবং তাদেরও টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

এদিকে দেশে কিছুদিন করোনার সংক্রমণ কম থাকার পর, তা ফের বাড়তে শুরু করেছে। প্রতিদিনই সংক্রমণ ৪০ হাজারের গণ্ডি অতিক্রম করছে। সক্রিয় রোগীর সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে। এই পরিস্থিতিতে, টিকাকরণ এবং করোনাবিধি অনুসরণই মারণ করোনা থেকে রক্ষা পাওয়ার একমাত্র উপায়। আর সেই কারণেই কেন্দ্রের পক্ষ থেকে চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই দেশের সমস্ত প্রাপ্তবয়স্কদের টিকাকরণের লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২৯ অগস্ট সেই সংক্রমণ ছুঁয়েছে ৪৫ হাজার ৮৩ জনকে। মৃতের সংখ্যা ৪৬০। এই সংক্রমণের ৭০ শতাংশই হচ্ছে কেরল থেকে। ওনাম উৎসবের পরই কেরলের করোনা গ্রাফ উর্ধ্বমুখী হওয়ায় চিন্তায় চিকিৎসক-বিশেষজ্ঞরা। কারণ, বাকি রাজ্যেও পরের মাস থেকেই শুরু হবে উৎসবের মরশুম। তখনই আবার তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার সতর্কবার্তাও দেওয়া হয়েছে।