দ্বিতীয় দফার ভোটে নন্দীগ্রামেই থাকছে ২১ কোম্পানির কেন্দ্রীয় বাহিনী! নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা নির্বাচন কমিশনের

দ্বিতীয় দফার ভোটে নন্দীগ্রামেই থাকছে ২১ কোম্পানির কেন্দ্রীয় বাহিনী! নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা নির্বাচন কমিশনের
দ্বিতীয় দফার ভোটে নন্দীগ্রামেই থাকছে ২১ কোম্পানির কেন্দ্রীয় বাহিনী! নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা নির্বাচন কমিশনের

বংনিউজ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ প্রথম দফার নির্বাচন ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। আর একদিন বাদেই রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোট, ১ এপ্রিল। দ্বিতীয় দফার ভোটেও বাঁকুড়া, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার ৩০ আসনে ভোটগ্রহণ রয়েছে। প্রথম দফার ভোটের মতোই নজিরবিহীন নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছেন নির্বাচন কমিশন।

জানা গিয়েছে, এই দফার ভোটে ৩০ টি বিধানসভা কেন্দ্রের মোট ১০ হাজার ৬২০ টি বুথে মোতায়েন থাকবে মোট ৬৫১ কোম্পানির আধা সেনা। একুশের নির্বাচনে সবথেকে হাইভোল্টেজ কেন্দ্র এই নন্দীগ্রাম। এখানে তৃণমূলের হয়ে লড়ছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর বিপরীতে রয়েছেন বিজেপির প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি আগে তৃণমূলের প্রাক্তন মন্ত্রী ছিলেন। এই কেন্দ্রে কমিশনের কড়া নজর রয়েছে। তাই এখানে বেশি করে কেন্দ্রীয় বাহিনী রাখা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, দ্বিতীয় দফায় নন্দীগ্রাম বিধানসভার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকছে ২১ কোম্পানি আধাসেনা। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ২১০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, বাঁকুড়ায় ১৭০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, পূর্ব মেদিনীপুরে ১৯৯ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং দক্ষিণ ২৪ পগনায় থাকছে ৭২ কোম্পানি আধাসেনা।

এছাড়াও নির্বাচন কমিশন সূত্রের খবর, নির্বাচনের পরে হিংসার ঘটনা রুখতে পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রামে ৬ কোম্পানি করে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে ভোটের পরেও। অন্যদিকে এও জানা গিয়েছে যে, দ্বিতীয় দফার ভোটে ২১ কোম্পানির কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে গোটা নন্দীগ্রাম নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হবে। পাশাপাশি নির্বাচনের আগের রাতে পেট্রোলিং বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পটাশপুর এবং কেশিয়াড়ির মতো ঘটনার যাতে এখানেও পুনরাবৃত্তি না হয়, তাই রাতের দিকে নজরদারি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এছাড়াও কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে, রাজ্য পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর মিলিত সমন্বয়ে রাতে পাহাড় আরও বাড়াতে হবে।

এর বাইরে সেক্টর অফিসে থাকা রাজ্য পুলিশের সঙ্গে কিউআরটি-তে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর মধ্যেও সমন্বয় আরও জোরদার করতে হবে বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.