রতুয়ার ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে হাজির হলেন পঞ্চায়েত সমিতির প্রতিনিধি দল

নিজস্ব প্রতিবেদনঃ মালদাঃ মালদা বিপদসীমার উপর দিয়ে বয়তে শুরু করেছে মালদা জেলার রতুয়া-১ ব্লকের অন্তর্গত ফুলহর ও গঙ্গা নদী। ভারী বর্ষণের ফলে জল বৃদ্ধির কারণে ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে নদী ভাঙ্গন। ফলে প্রায় কয়েকশো বিঘা ফসলি জমি সহ আম বাগান তলিয়ে গেছে নদীগর্ভে। আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন রতুয়ার মহানন্দাটোলা ও বিলাইমারি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার কাটাহা দিয়ারা, গঙ্গারামটোলা, দ্বারকটোলা, রুহিমাড়ি, আজিজ টোলা, রামায়ণ পুর সহ প্রায় ৮-টি গ্রামের কয়েক হাজার পরিবার। আর সংবাদ মাধ্যমে এই খবর সমাচার হওয়ার পর ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শনে যান রতুয়া ১ নং পঞ্চায়েত সমিতির এক প্রতিনিধি দল।

শনিবার ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় পরিদর্শন করেন রতুয়া-১ পঞ্চায়েত সমিতির প্রতিনিধি দল। এদিন তারা মহানন্দাটোলা ও বিলাইমাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার পার্শ্ববর্তী ফুলহর ও গঙ্গা নদীর তীরবর্তী গ্রাম গুলি পরিদর্শন করেন। সেখানকার ভাঙ্গন কবলিত মানুষদের সাথে কথা বলে তাদের অভাব-অভিযোগের কথা শুনেন।

পরিদর্শনে শেষে পঞ্চায়েত সমিতি প্রতিনিধি দলের সদস্য তথা পঞ্চায়েত সমিতির দলনেতা শুভম সরকার জানান আজ আমরা রতুয়া-১ ব্লকের মহানন্দাটোলা ও বিলাইমারি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা পরিদর্শনে এসেছি। এই দুই নদীর ভাঙ্গনের ফলে অনেক সংখ্যক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ফসলের জমি থেকে শুরু করে আমবাগান ভিটেমাটি তলিয়ে গেছে নদীর গর্ভে। তারা খোলা আকাশের নিচে দিন গুজরান করছেন। ইতিমধ্যে সবচেয়ে বেশি ভাঙন দেখা দিয়েছে গঙ্গা নদীতে। এভাবে ভাঙ্গন চলতে থাকলে মহানন্দাটোলা ও বিলাইমারি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা একেবারে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। ভাঙ্গন কিভাবে প্রতিরোধ করা যায় আমাদের পঞ্চায়েত সমিতির পক্ষ থেকে এই বিষয়ে রতুয়া-১ বিডিও এবং জেলা শাসককে স্মারকলিপি দেওয়া হবে।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.