সোশ্যাল ডিসট্যান্সের পোস্টার কেটে ক্রপ টপ বানালেন ফ্যাশন ডিজাইনিংয়ের ছাত্রী! ভাইরাল মুহূর্তেই

সোশ্যাল ডিসট্যান্সের পোস্টার কেটে ক্রপ টপ বানালেন ফ্যাশন ডিজাইনিংয়ের ছাত্রী! ভাইরাল মুহূর্তেই
সোশ্যাল ডিসট্যান্সের পোস্টার কেটে ক্রপ টপ বানালেন ফ্যাশন ডিজাইনিংয়ের ছাত্রী! ভাইরাল মুহূর্তেই

বংনিউজ২৪x৭ ডেস্কঃ করোনার মধ্যেই নতুন করে স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় মানুষ ধীরে ধীরে অভ্যস্থ হয়েছে মানুষ। এই করোনা এবং তার জেরে হওয়া লকডাউনে আমরা অনেক নতুন নতুন বিষয়ের সঙ্গে পরিচিত হয়েছি। এই যেমন সামাজিক দূরত্ব বা সোশ্যাল ডিসট্যান্স। আরও কতো কি! করোনাকালে এই সোশ্যাল ডিসট্যান্স বা সামাজিক দুরত্বের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সঙ্গে তা হাতেকলমে মানতেও হয়েছে। করোনা সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা পেতে এই সোশ্যাল ডিসট্যান্স বা সামাজিক দূরত্ব মানা প্রথম ও প্রধান শর্ত

এবার এই সোশ্যাল ডিসট্যান্সকে কেন্দ্র করে ঘটল এক অভিনব ঘটনা। ব্রিটেনের এক ফ্যাশন ডিজাইনিংয়ের ছাত্রী সোশ্যাল ডিসট্যান্সের পোস্টার কেটে ক্রপ টপ বানিয়ে ফেললেন। আর তাঁর এই কীর্তিকে ঘিরে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে নেটদুনিয়ায়।

মহারি থারস্টন টাইলার নামে এক তরুণী সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি পোস্ট করেছেন। আর এই ছবি চমকে দিয়েছে নেটিজেনদের। সম্প্রতি একটি স্টেশনে গিয়েছিলেন ওই তরুণী। সেখানে গিয়ে তিনি সোশ্যাল ডিসট্যান্সিংয়ের জন্য লাগিয়ে রাখা পোস্টারগুলি খুলে নেন। আরে সেই পোস্টারগুলি দিয়ে তিনি বানিয়ে ফেলেন ক্রপ টপ। এরপর সেই ক্রপ টপ পরা ছবি তুলে অনলাইন সংস্থা ডেপোপে শেয়ারও করেন।

এখানেই শেষ নয়, ছবির সঙ্গে তাঁর বানানো ক্রপ টপ বিক্রির বিজ্ঞাপনও দেন। তিনি বিজ্ঞাপনে লেখেন যে, ‘খুব সীমিত সংখ্যায় আছে। উপযুক্ত মাপের টপ বেছে নিন। প্রয়োজনে আমাকে মেসেজও করতে পারেন।’ মহারি থারস্টন টাইলারের বানানো সেই ক্রপ টপের দাম ধার্য করা হয় ১৫ পাউন্ড করে।

পরে বিষয়টি নজরে পড়ে ডেপোপ কর্তৃপক্ষের। এই ধরনের জিনিসপত্র বিক্রি নিয়ম বিরুদ্ধ বলে জানিয়ে দেওয়া হয় ওই তরুণীকে। সঙ্গে বন্ধ করে দেওয়া হয় ওই টপ বিক্রি। এদিকে ওই তরুণী তাঁর বানানো এই অভিনব ক্রপ টপের সম্পর্কে নিজের মতামত ব্যক্ত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, স্টেশন থেকে সোশ্যাল ডিসট্যান্স-এর পোস্টারগুলি চুরি করেননি। সেগুলি নাকি বাইরে পড়েছিল। তাই তিনি সেগুলি নিয়েছেন। নিজের আর্থিক সমস্যা থাকায়, সেগুলি তিনি বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নেন। তবে, তিনি যে নিয়মবিরুদ্ধ কাজ করছেন, তা ঘুণাক্ষরেও বুঝতে পারেননি। জানতে পারার পরই তিনি যেগুলি বিক্রি হয়েছে, তার টাকাও ফেরত দিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.