ধর্ষন করে নৃশংস খুন, হায়দরাবাদের খটনায় ছায়া এবার দক্ষিন দিনাজপুরে

Image source: Google

বিশেষ প্রতিবেদনঃ ফের হায়দরাবাদের নৃশংসতার স্মৃতি ফিরিয়ে আনল দক্ষিন দিনাজপুরের ধর্ষনকান্ড। কিশোরীকে জলসা দেখানোর নাম করে ডেকে নিয়ে গিয়ে প্রথমে ধর্ষন করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে খুন করার পর পেট্রোল ঢেলে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। নৃশংস এই ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিন দিনাজপুরের কুমারগঞ্জ থানার বেলখোর গ্রামে। ঘটনার পরেই আতঙ্গের সৃষ্টি হয়েছে গোটা এলাকায়।

পুলিশ সুত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী, সোমবার সকাল দিকে নেলখোর গ্রামের পাকুড়তার একটি কালভার্টের তলায় আগুনে পোড়া মানুষের দেহ শেয়ালকে খুবলে খেতে দেখেন একদল কৃষক। তড়িঘটি তাঁরা কুমারগঞ্জ থানায় খবর দেন। পুলিশ ওই মৃতদেহটি উদ্ধার করেই ময়নাতদন্তের জন্য পাঠান।

পরিবার সুত্রে খবর, রবিবার দুপুর ১ টা নাগাদ চাদর কেনার জন্য বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল ওই কিশোরী। কিন্তু তারপর আর ফিরে আসেনি। পরিবারের লোকজন ওই কিশোরীর বন্ধু-বান্ধবী ও আত্মীয়দের বাড়িতেও খোঁজেখবর শুরু করেন। সন্ধ্যের পর থেকে কিশোরীর ফোনও বন্ধ থাকায় তাঁর সাথে যোগাযোগও করা সম্ভব হয়নি। এরপরেই সোমবার সোশ্যাল মিডিয়ায় অগ্নিদগ্ধ একটি মৃতদেহের পোস্ট দেখে ওই কিশোরীকে চিনতে পারেন তাঁর পরিবারের লোকজন। বিকেলের দিকে হাসপাতালে এসে নিজের বোনের মৃতদেহ শনাক্ত করেন মৃতার দাদা বিশ্বজিৎ বর্মন।

প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, বাড়ি থেকে সাত কিলোমিটার দূরে যখন ওই কিশোরী চাদর কিনতে যান তখনই রাস্তায় তাঁকে কেউ বা কারা জলসা দেখানোর নাম করে নিয়ে যান। তারপরেই পাকুড়তলার নির্জন এলাকার ওই কালভার্টে নিয়ে গিয়ে তাঁকে প্রথমে ধর্ষন করা হয়। তারপরেই ধারালো অস্ত্র দিয়ে খুন করা হয় ওই কিশোরীকে। কিন্তু প্রমান থেকে যাওয়ার ভয়ে ওই কালভার্টের নীচেই পেট্রোল জালিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয় কিশোরীর মৃতদেহ।

সোমবার সকাল থেকেই পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার দেবর্ষী দত্ত। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি বাইক সহ কিছু প্রমান। এরপরেই তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, বেশ কিছু প্রমান মেলায় খুব শীঘ্রই ঘটনার কিনারা করা হবে এবং ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতার করা হবে।

আরও পড়ুনঃ  দেশে একদিনে আক্রান্ত ৮ হাজারেরও বেশি! উদ্বেগ বাড়াচ্ছে সংক্রমণের হার

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.