নাপিত খরচ বাবদ মোদিকে ১০০ টাকা পাঠালেন এক চা বিক্রেতা

নাপিত খরচ বাবদ মোদিকে ১০০ টাকা পাঠালেন এক চা বিক্রেতা
নাপিত খরচ বাবদ মোদিকে ১০০ টাকা পাঠালেন এক চা বিক্রেতা

কর্মক্ষেত্র বৃদ্ধি করা নিয়ে অভিনব প্রতিবাদ এক চা বিক্রতার। চিঠি লিখে প্রধানমন্ত্রীকে দাড়ি কাটার টাকা পাঠালেন তিনি। ওই বাসিন্দা মহারাষ্ট্রের বারামতির ইন্দ্রপুর রোডে থাকেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্য নাপিত খরচ বাবদ ১০০ টাকা পাঠালেন এক চাওয়ালা। সঙ্গে আরও লিখলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীকে অপমান করার জন্য নয়, গরিবদের অবস্থা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্যই এই পথ বেছেছি’।

প্রথম জীবনে একজন চা বিক্রেতা থেকেই কঠোর পরিশ্রম এবং অধ্যাবসায়ের মধ্যে দিয়ে আজকে দেশের প্রধানমন্ত্রীর সিংহাসনে বসতে পেরেছেন, একথা সর্বদাই স্বীকার করেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। তবে বিগত বেশকিছু মাস ধরে দেখা যাচ্ছে, নিজের চুল এবং দাড়ি বাড়িয়েই চলেছেন প্রধানমন্ত্রী। তাই এবার প্রধানমন্ত্রীর দড়ি কাটার জন্য মানি অর্ডার করে দিলেন এক চাওয়ালা।

মহারাষ্ট্রের বারামতির ইন্দ্রপুর রোডে একটি হাসপাতালের কাছে একটি ছোট চায়ের দোকান রয়েছে ওই ব্যক্তির। তিনি এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে জানান, “আমার রক্ত জল করে উপার্জন করা টাকা থেকে, এই অর্থ পাঠিয়েছি প্রধানমন্ত্রীর জন্য। উনি যেন এই টাকা দিয়ে নিজের দাড়ি কেটে ফেলেন। তবে প্রধানমন্ত্রীকে অপমান করার জন্য নয়, গরিবদের অবস্থা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্যই এই পথ বেছেছি।”

একজন চাওয়ালা হয়ে প্রধানমন্ত্রীকে এমন কথা লিখে, “লকডাউনে যদি কিছু বাড়ানোর পরিকল্পনা করে থাকেন, তাহলে নিজের দাড়ি না বাড়িয়ে কর্মক্ষেত্র, টিকাকরণের হার, হাসপাতালের সংখ্যা বৃদ্ধি করুন। আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে, তাঁদের সমস্যা দূর করার চেষ্টা করুন।”

সেইসঙ্গে তিনি চিঠিতে আরও লেখেন, “করোনা মৃত পরিবার প্রতি যদি ৫ লক্ষ টাকা এবং লকডাউনে কর্মহীন পরিবার পিছু যদি ৩০ হাজার করে টাকা দিয়ে সাহায্য করা হয়, তাহলে অনেক উপকারও হয়। আর এই লকডাউনে আমার চায়ের ব্যবসারও অনেক ক্ষতি হয়েছে।”