প্র‍্যাকটিস ম্যাচেই বিধ্বংসী মেজাজে এবি ডি’ভিলিয়ার্স! দশটি ছক্কা হাঁকিয়ে ৪৬ বলে করলেন ১০৪ রান

প্র‍্যাকটিস ম্যাচেই বিধ্বংসী মেজাজে এবি ডি'ভিলিয়ার্স! দশটি ছক্কা হাঁকিয়ে ৪৬ বলে করলেন ১০৪ রান
প্র‍্যাকটিস ম্যাচেই বিধ্বংসী মেজাজে এবি ডি'ভিলিয়ার্স! দশটি ছক্কা হাঁকিয়ে ৪৬ বলে করলেন ১০৪ রান

আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে শুরু হতে চলেছে আইপিএলের দ্বিতীয় পর্ব। সেই কারণে ইতিমধ্যেই মরুশহরে পৌঁছে গিয়েছে অংশগ্রহণকারী ফ্যাঞ্চাইজি দলগুলি। এতদিনে অনুশীলনেও মাঠে নেমে পড়েছেন ক্রিকেটাররা। তবে আইপিএলের খেলা শুরুর আগেই আরবে আছড়ে পড়ল বিধ্বংসী এবিডি ঝড়! যার দাপটে উড়ে গেল বিপক্ষও। এবার মনে নিশ্চয়ই প্রশ্ন জাগছে যে, ব্যাপারটা কী? তাহলে খোলসা করেই বলা যাক।

আসলে দ্বিতীয় পর্বের খেলা শুরুর আগেই একটি প্র‍্যাকটিস ম্যাচ খেলে ফেলল আইপিএলের অন্যতম ফ্যাঞ্চাইজি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুুরু। আর সেই প্র্যাকটিস ম্যাচেই বিধ্বংসী মেজাজে পাওয়া গেল দক্ষিণ আফ্রিকার তারকা ক্রিকেটার এবি ডি’ভিলিয়ার্সকে। সেখানে আরসিবির ক্রিকেটাররা নিজেদের মধ্যেই ‘এ’ এবং ‘বি’ দুটি দলে বিভক্ত হয়ে খেলা শুরু করেন। আরসিবি এ দলকে নেতৃত্ব দেন হর্ষল প্যাটেল। আরসিবি বি দলের অধিনায়ক হন দেবদূত পড্ডিকাল। হর্ষলের দলেই ছিলেন এবিডি।

প্র‍্যাকটিস ম্যাচে টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ‘এ’ দলের ক্যাপ্টেন হর্ষল প্যাটেল। তবে প্রথম ব্যাট করতে নেমেই পাওয়ার প্লে-তে এক উইকেট খুইয়ে বসে তারা। তারপরই মাঠে নামতে দেখা যায় ডি’ভিলিয়ার্সকে। শুরু করেন ঝোড়ো ব্যাটিং। মোট দশটি ছক্কা ও সাতটি চার মারেন দক্ষিণ আফ্রিকান এই তারকা। শেষ পর্যন্ত তিনি করেন ৪৬ বলে ১০৪ রান। তাঁকে যোগ্য সঙ্গেত দেন দলের আরেক ক্রিকেটার মহম্মদ আজহারউদ্দিনও। ৪৩ বলে ৬৬ রান করেন তিনি। এই দু’জনের দাপটে কার্যত দিশেহারা হয়ে পড়ে দেবদূতের ‘বি’ দল।

তবে খেলা যদিও তখনও বাকি ছিল। ‘এ’ টিমের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৪৭ বলে ৯৫ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলে যান ‘বি’ টিমের কেএস ভরত। তাঁর এই ইনিংসের জেরেই ব্যর্থ হয়ে যায় এবিডির দুরন্ত লড়াই। ৭ উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয় পাড্ডিকালের দল। তবে দল হারলেও নিজের ইনিংস নিয়ে বেশ খুশি হয়েছেন ডি’ভিলিয়ার্স। তাঁর কথায়, “স্কোরবোর্ডে রান যোগ করতে পেরে আমি খুশি। আমরা পাগলের মতো দুপুরে ক্রিকেট ম্যাচ খেলার চেষ্টা করছি। সৌভাগ্যবশত এদিন হাওয়া ছিল। আজহারউদ্দিনকে বলেছিলাম, এখন এই পিচে খেলতে সুবিধে হবে। আমরা আসলে মজা করেই এই ম্যাচ খেলেছি।”

উল্লেখ্য, আইপিএলে এই মুহূর্তে ৭ ম্যাচের মধ্যে ৫ ম্যাচ জিতে তালিকার তিন নম্বরে রয়েছে আরসিবি। এবিডিরা তো আরবে রয়েছেনই। ইতিমধ্যেই বিরাট কোহলি, মহম্মদ সিরাজরাও চাটার্ড বিমানে ইংল্যান্ড থেকে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে পৌঁছে গিয়েছেন। আপাতত তাঁরা বাধ্যতামূলক কোয়ারান্টিনে রয়েছেন। সেসব মিটলেই অনুশীলনে নেমে পড়বেন। কোনও বার আইপিএলের খেতাব না জেতা বিরাট কোহলি বা এবিডির এবারের লক্ষ্য শুধু একটাই, আইপিএল জয় করে সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটানো।