অবশেষে কয়লা কাণ্ড নিয়ে মুখ খুললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়! কী বললেন রইল বিস্তারিত

অবশেষে কয়লা কাণ্ড নিয়ে মুখ খুললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়! কী বললেন রইল বিস্তারিত
অবশেষে কয়লা কাণ্ড নিয়ে মুখ খুললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়! কী বললেন রইল বিস্তারিত

রবিবারই কয়লা পাচার প্রসঙ্গে যুব তৃণমূল সভাপতি তথা ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ তুলেছিল বিজেপি। এদিন সাংবাদিক বৈঠক করে দলের নেতা শুভেন্দু অধিকারী, দীনেশ ত্রিবেদী এবং অমিত মালব্য জানিয়েছিলেন কয়লা পাচারের সমস্ত টাকাই গিয়েছে ‘ভাইপো’ অভিষেকের দখলে। এই প্রসঙ্গে আজ, সোমবার, অবশেষে মুখ খুলেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন পরপর দুটি টুইট করে গেরুয়াশিবিরকে কড়া জবাব দিলেন তিনি।

সোমবার, টুইট করে অভিষেক বলেছেন, ‘কয়লা ও সেই সংক্রান্ত যাবতীয় সম্পদ কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে রয়েছে। তা পাহাড়ার দায়িত্বও কেন্দ্রীয় সরকারের। বিজেপি নেতারা যদি মনে করেন বেআইনি পাচার করে তিনি টাকা পেয়েছেন, তা হলে যাদের ওপর জাতীয় সম্পত্তি পাহাড়ার দায়িত্ব রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে কেন্দ্রকে বাধা দিচ্ছে কে’। এরপর আরেকটি টুইটে তিনি জানান, ‘এটা হাস্যকর যে কয়লা ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অফিসাররা তাঁদের বসের (মোদি-শাহ) কথা না শুনে তৃণমূলের কথা শুনছে। কাদের বােকা বানাচ্ছে বিজেপি!’

অবশেষে কয়লা কাণ্ড নিয়ে মুখ খুললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়! কী বললেন রইল বিস্তারিত
অবশেষে কয়লা কাণ্ড নিয়ে মুখ খুললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়! কী বললেন রইল বিস্তারিত

প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই পাচার চক্রের সূত্র ধরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরা নারুলা ও তাঁর শ্যালিকা মেনকা গম্ভীরকে জেরা করেছে সিবিআই। মেনকার স্বামী ও শ্বশুরকেও জেরা করা হয়েছে। তৃণমূলের কিছু নেতার বিরুদ্ধে পাচার চক্রে জড়িয়ে থাকার অভিযােগও এসেছে। রবিবার সিপিএম সাধারণ সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্রও বলেছেন, “পাচার চক্রে পাওয়া টাকার বড় অংশ যেত হরিশ মুখার্জি স্ট্রিটে। এরা দুর্নীতির গলা জলে ডুবে থেকে লেকচার দিচ্ছে।” তবে এবার বিজেপির নিশানা সরাসরি অভিষেকের দিকেই। ভাইরাল হওয়া একটি অডিও ক্লিপের সূত্র ধরেই এমন অভিযোগ এনেছে তারা।

অন্যদিকে, অভিষেকের বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগের জবাবে বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে রীতিমতো তোপ দাগলেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা দমদমের তৃণমূল প্রার্থী ব্রাত্য বসু। তাঁদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি। তৃণমূল ভবনে এক সাংবাদিক সম্মেলন করে কয়লা কাণ্ডে কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যর্থতার অভিযোগ এনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও কয়লামন্ত্রী পীযূষ গয়ালের ইস্তফারও দাবি করেন মন্ত্রী৷

এদিকে, সিবিআইয়ের দাবি, বেআইনি কয়লা পাচার চক্রের মূল মাথা ছিল অনুপ মাঝি ওরফে লালা। তাঁকে মদত যুগিয়েছিলেন বেশ কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। তাঁকে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার লালাকে জেরাও করেছে সিবিআই। তবে বাকি ব্যক্তিদের খোঁজ এখনও জারি রয়েছে। জল্পনা চলছে লালা রাজসাক্ষী হলেই তাঁদের সন্ধান মিলবে।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.