২১ জুলাই মিটতেই রাতের বিমানে দিল্লী ছুটলেন অভিষেক- পিকে

২১ জুলাই মিটতেই রাতের বিমানে দিল্লী ছুটলেন অভিষেক- পিকে
২১ জুলাই মিটতেই রাতের বিমানে দিল্লী ছুটলেন অভিষেক- পিকে

কথা ছিল ২১ জুলাই মিটলেই দিল্লি যাবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেইমতো বুধবার ভার্চুয়াল ভাবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাষণ দেওয়ার পর্ব শেষ হতেই দিল্লীর উদ্দেশ্যে রওনা দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্লেখযোগ্যভাবে এদিন তার সফরসঙ্গী ছিলেন ভোট প্রকৌশলী প্রশান্ত কিশোর। জানা গিয়েছে, আগামীকাল ডিলিটে তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায়ের বাড়িতে এক বৈঠক রয়েছে তাদের।

তৃতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হয়ে ২৬ জুলাই প্রথম দিল্লি যাবেন বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে গিয়ে আরজেডি, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে বৈঠকে বসার কথা রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর। সেই বৈঠকে ও বিজেপি দলগুলিকে সঙ্গবদ্ধ করার পাশাপাশি কিভাবে ২০২৪-র লোকসভা নির্বাচনে জয়লাভ করা যায় সেই রাজনৈতিক কৌশল নিয়েও আলোচনা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।

এদিকে জানা গিয়েছিল, মুখ্যমন্ত্রী যাওয়ার আগেই সেখানে পৌঁছবেন দলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই মতই বুধবার ২১জুলাই অনুষ্ঠান শেষ হতেই দিল্লি গেলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।এবারের নির্বাচনের আগে অভিষেক জানিয়েছিলেন, অন্তত দশটি রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেসকে বিস্তার করবেন। ২০২১ থেকেই সেই কাজে ঝাঁপিয়ে পড়বেন বলে জানিয়েছিলেন। সেই মতই উত্তরপ্রদেশ, গুজরাত-সহ বিজেপি শাসিত বেশ কয়েকটি রাজ্যে আগামী বছরেই রয়েছে বিধানসভা নির্বাচন। সেই লক্ষ্যেই এবার এগোতে চাইছে তৃণমূলও। তাই তাঁর দিল্লী সফরও যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

এদিকে দফায় দফায় প্রশান্ত কিশোর দিল্লী গিয়ে শরদ পাওয়ার, গান্ধী পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছেন, বৈঠকও করেছেন। অন্যদিকে, অাজকের মঞ্চ থেকে বিজেপি বিরোধী দলগুলিকে নিয়ে ফ্রন্ট গঠন ও বৈঠকে বসার প্রস্তাব দিয়েছেন মমতা। একইসঙ্গে, সোশ্যাল সাইটে হ্যাশট্যাগ ‘বাঙালি প্রধানমন্ত্রী’ প্রচারও শুরু হয়েছে।তাই এর পরেই দলের সেকেন্ড ম্যান এবং প্রশান্ত কিশোরের সেখানে যাওয়া অবশ্যই তাৎপর্য পূর্ণ।

এদিকে, আগামীকাল বৃহস্পতিবার দিল্লিতে সুখেন্দু শেখর রায়ের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজন সারবেন মুকুল রায় এবং যশবন্ত সিনহা। সেই বৈঠকে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রও। যা নিয়ে আপাতত তুঙ্গে রয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা। দলীয় সূত্রে খবর সেখানে আগামীর রণনীতি ছাড়াও আলোচনা হতে পারে আরও একাধিক বিষয় নিয়ে। এ ছাড়াও সমসাময়িক রাজনীতিতে কিভাবে যুব সম্প্রদায় কে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় পাশাপাশি কেন্দ্র বিরোধী ইস্যু গুলিকে কিভাবে হাতিয়ার করে কিভাবে তৃণমূল কংগ্রেস কে শক্তিশালী করে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় তা নিয়ে আলোচনা হতে পারে।