দুটো দলকে বিজেপি পেছন থেকে মদত দিচ্ছে! বিস্ফোরক অধীর

দুটো দলকে বিজেপি পেছন থেকে মদত দিচ্ছে! বিস্ফোরক অধীর
দুটো দলকে বিজেপি পেছন থেকে মদত দিচ্ছে! বিস্ফোরক অধীর

বিজেপির সঙ্গে তৃণমূলের যোগ রয়েছে এই অভিযোগ বারবার করেছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। এদিন লখিমপুরের ঘটনাস্থলে তৃণমূলের পৌঁছে যাওয়া নিয়েও একই অভিযোগ করলেন তিনি। তার অভিযোগ, কংগ্রেসকে শেষ করতেই তৃণমূলের সঙ্গে যোগসাজশ রেখেছে বিজেপি।

মৃত কৃষকদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যেতে চাইলে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী কে গ্রেফতার করা হয়। একইভাবে বাধার মুখে পড়েন রাহুল গান্ধীও। কিন্তু তৃণমূলের 5 প্রতিনিধি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। এরপরেই এই গোটা বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বহরমপুর এর কংগ্রেস সাংসদ তথা প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী।

এদিন অধীর বাবু বলেন, ” কংগ্রেস দলের জেনারেল সেক্রেটারি প্রিয়াঙ্কা গান্ধী যিনি সেই মৃত কৃষকদের পরিবারের দেখা করার ইচ্ছে প্রকাশ করেছিলেন তাঁকে যেভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাতে মনে হচ্ছে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী একজন সন্ত্রাসবাদীর নেত্রী। অথচ উল্টোদিকে টিএমসি পার্টির এমপিরা গেল তারা কিন্তু লখিমপুর খেরিতে মৃত পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে পেল”।

কংগ্রেস সাংসদের অভিযোগ, “তৃণমূল পার্টির যারা এমপি তাদেরকে যেতে দেওয়া হল, তাঁদের বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হল। অথচ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী , রুপেশ বাঘেল সমেত যারা লখিমপুর খেরি যেতে চাইছেন তাদেরকে রুখে দেওয়া হচ্ছে। রাহুল গান্ধীকে রুখে দেওয়া হচ্ছে, পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীকে রুখে দেওয়া হচ্ছে। এ রকম বিচিত্র এবং অদ্ভুত বৈষম্যের আচরণ চলছে । লক্ষ্য করে দেখবেন ভারতের দুটো দলকে বিজেপি পেছন থেকে মাদত করছে, শুধু কংগ্রেসকে খতম করার জন্য। একটা দলের নাম আপ আর একটা দলের নাম তৃণমূল । দুটো দলকেই ওখানে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে যাওয়ার। আর বাংলায় ভাষণ বাজি হবে, মোদীর বিরুদ্ধে কংগ্রেস লড়ে না টিএমসি লড়ে।,”