রাজ্যে বিপুল জয়ের পর ‘কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়!

রাজ্যে বিপুল জয়ের পর ‘কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়!
রাজ্যে বিপুল জয়ের পর ‘কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়!

বংনিউজ২৪x৭ ডেস্কঃ শেষ হল ভোট যুদ্ধ। এতদিন যে মহারণের দিকে ছিল সকলের নজর, আজ সেই মহারণের ফলাফলের দিন। ইতিমধ্যেই সেই ফলাফল স্পষ্ট হয়ে গেছে। আর ফলাফল বলছে, বাংলায় আবারও মা-মাটি-মানুষের জয়জয়কার। অবশেষে বাংলার মানুষের রায় প্রমাণ করে দিল, হ্যাঁ, ‘বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়’। তৃণমূল কংগ্রেস যে স্লোগানকে ব্রহ্মাস্ত্র বানিয়ে, বাংলায় একুশের কুরুক্ষেত্রের লড়াইয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। সেই স্লোগান আজ সার্থক প্রমাণিত হল। নবান্নে ফের ফুটছে জোড়াফুল।

অনেক অভিযোগ, সমালোচনা, দুর্নীতির ভার, দলের ঘনিষ্ঠ কর্মীদের দলত্যাগ, (নেত্রীর কোথায় বিশ্বাসঘাতকতা) সব সয়েও, শেষ জয়ের প্রবাহের গতিমুখ কালীঘাটের দিকেই। বাংলার মসনদে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ্যমন্ত্রীরূপে শপথ নেওয়া, এখন শুধুই সময়ের অপেক্ষা। আর আজ রাজ্যে জয়লাভের ফলাফল জেনে মা-মাটি-মানুষের নামে পুজো দিতে পৌঁছে গেলেন কালীঘাটের মন্দিরে। উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল যুব সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের রাজনৈতিক পরামর্শদাতা প্রশান্ত কিশোরও।

প্রসঙ্গত পয়লা বৈশাখের আগে কালীঘাট মন্দিরে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। আর প্রার্থনা জানিয়ে ফেরার পথে এক সেবাইত কে কথাও দিয়েছিলেন যে ২ রা মে জয় লাভ করে প্রথমে মায়ের কাছেই আসবেন। আর সেই কথার কোনোরকম হেরফের না করে আজ জয়ী হয়ে মন্দিরে মায়ের কাছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।

অন্যদিকে আজ জয় নিশ্চিত হতেই, মুখ্যমন্ত্রী বাড়ির বাইরে জনসমক্ষে আসেন। এবং বাড়ির বাইরে জমায়েত হওয়া বহু সমর্থকদের উদ্দেশে হাত নেড়ে নেত্রী বলেন, ‘বাংলাই পারে, বাংলার জয়। আপনাদের সকলকে অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছি, সকলে ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন, সকলে অনেক খেটেছেন। কোভিডবিধি মেনে চলুন, এখনই বিজয় মিছিল নয়, অনেক মানুষ করোনায় আক্রান্ত। এখন আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার করোনা জন্য কাজ করা।’ তিনি বলেন, ‘বাড়ি ফিরে যান, ভাল করে স্নান করুন। সাবধানে থাকুন, বাকি কথা পরে হবে।’

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.