‘ভোটের পর, বিজেপি ক্ষমতায় এলে আমি আর দিলীপ ঘোষ সরকার চালাবো’ বিস্ফোরক মন্তব্য শুভেন্দুর

‘ভোটের পর, বিজেপি ক্ষমতায় এলে আমি আর দিলীপ ঘোষ সরকার চালাবো’ বিস্ফোরক মন্তব্য শুভেন্দুর
‘ভোটের পর, বিজেপি ক্ষমতায় এলে আমি আর দিলীপ ঘোষ সরকার চালাবো’ বিস্ফোরক মন্তব্য শুভেন্দুর

বংনিউজ ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ শুরু হয়ে গেছে একুশের বাংলার ভোটযুদ্ধ। বাংলার দখল কে নেবে তাই নিয়েই চলছে চর্চা। এ বলে আমি, তো ও বলে আমি। কেউই ছাড়তে রাজি নয়। সব দলই বলছে, বাংলায় এবার তাঁরাই আসতে চলেছে ক্ষমতায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফের একবার বাংলার মসনদে বসার লড়াই চালাচ্ছেন মরিয়া হয়ে। আবার বিজেপি এবার বাংলার ক্ষমতা নিজেদের হাতে নিতে চাইছে। অন্যদিকে, সংযুক্ত মোর্চাও বলছে এবার বাংলার ক্ষমতায় আসবে তাঁরাই।

তবে এবার এই উক্তিতে থেমে থাকলেন না তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দেওয়া প্রাক্তন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামের প্রার্থী তিনি। এই প্রথমবার নির্বাচনী লড়াইয়ে মুখোমুখি মমতা-শুভেন্দু। তাই এবারের নন্দী গ্রামের লড়াই হাইভোল্টেজ লড়াই হতে চলেছে।

খড়গপুরের সভা থেকে শুভেন্দু অধিকারী বাংলা দখলের প্রসঙ্গে সরাসরি বললেন যে, ‘বিজেপি ক্ষমতায় এলে আমি আর দিলীপ ঘোষ সরকার চালাব।‘ বিজেপি নেতার এই বিস্ফোরক মন্তব্যে স্বাভাবিকভাবেই শুরু হয়েছে জোর চর্চা। যদিও এটা প্রথমবার নয়, এর আগেও একাধিকবার তিনি মন্তব্য করেছেন যে, বালুমাটি তথা কাঁথি এলাকার বাসিন্দা তিনি এবং লালমাটি তথা ঝাড়গ্রাম এলাকার মালভূমির দিলীপ ঘোষ এক হয়ে তৃণমূলকে ক্ষমতাচ্যুত করবেন। তাই এদিন একেবারে সরাসরি সরকার চালাবার কথা বললেও, রাজনৈতিকমহল শুভেন্দুর এদিনের মন্তব্যে খুব একটা নতুন কিছু দেখছেন না।

উল্লেখ্য, রবিবার খড়গপুর শহরে বিজেপির প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ‌্যায়ের সমর্থনে এক সভায় যোগ দেন নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। বলেন, ‘উপনির্বাচনে এই কেন্দ্রে প্রদীপ সরকারের জয় একটি দুর্ঘটনা। ওটা ছেড়ে দিন। শুভেন্দু অধিকারী উপনির্বাচনে বৈতরণী পার করিয়েছিল। সেইসময় মমতা বেগম এখানে আসেননি। আর তোলাবাজ ভাইপোও এখানে আসেননি। এরা সবাইকে বলেছিল ওর কী হবে। জিতবে না।’

এরপরই শনিবার খড়গপুর শহরে মুখ্যমন্ত্রীর জনসভাকে ফ্লপ বলেও ব্যঙ্গ করেন তিনি। বলেন, ‘হেলিকপ্টার, দুই হাজার পুলিশ ও ১২০০ লোকের উপস্থিতি। কালকে আপনারাই সিগন্যাল দিয়ে দিয়েছেন।’

এদিনের সভায় গত দশ বছরে রাজ্যকে পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন শুভেন্দু অধিকারী। বলেন, ‘আপনি পা দেখাচ্ছেন। রিপোর্ট কার্ড দেখান। কত বেকারের চাকরি হয়েছে তার রিপোর্ট কার্ড দেখান।’ তিনি সরাসরি অভিযোগ করেন যে, ‘এই নেত্রী দুই কোটি বেকার তৈরি করেছেন। ৪ লক্ষ ৬০ হাজার কোটি টাকার ঋণের বোঝা চাপিয়েছেন রাজ্যের উপর। দশ বছরে পশ্চিমবঙ্গকে পিছিয়ে দিয়েছেন অনেকটাই।’

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.