কী কাণ্ড! পাকিস্তানের সুরার বোতলে জিন্নাহর নাম! মুহূর্তেই ভাইরাল ছবি

কী কাণ্ড! পাকিস্তানের সুরার বোতলে জিন্নাহর নাম! মুহূর্তেই ভাইরাল ছবি
কী কাণ্ড! পাকিস্তানের সুরার বোতলে জিন্নাহর নাম! মুহূর্তেই ভাইরাল ছবি

বংনিউজ২৪x৭ ডেস্কঃ জীবনটা উপভোগ করতে জানতেন তিনি। ইসলামিক রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতাও তিনি। অথচ ইসলাম ধর্মে যেসব বিষয় গ্রহণযোগ্য নয়, এমন একাধিক বিষয়ে ছিল তাঁর গভীর আকর্ষণ।

ইসলামিক রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা হওয়ার পাশাপাশি ছিলেন বিলেত ফেরত ব্যারিস্টার। তাঁকে কেউ কখনও মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়তে দেখেননি। এহেন ব্যক্তিত্ব তথা পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতাকে এক অভিনব উপায়ে সম্মান জানাল পাকিস্তানের এক সুরা প্রস্তুতকারক সংস্থা।

এক সংবাদসংস্থা সূত্রের খবর, পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মহম্মদ আলি জিন্নাহর নাম অনুসারে একটি অ্যালকোহলযুক্ত পানীয়র নামকরণ করা হয়েছে। সেই পানীয়ের বোতলের ছবি সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরালও হয়েছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ছবিতে দেখা গেছে, অ্যালকোহলযুক্ত পানীয়র নামকরণ করা হয়েছে ‘জিন্নাহ’। তবে এই নামের ইংরেজি বানানের ক্ষেত্রে একটা বিশেষত্ব আনা হয়েছে। সেখানে Jinnah-এর বদলে লেখা হয়েছে Ginnah। জিন্নাহ এবং ‘জিন’ এই দুই শব্দ মিলিয়ে নামকরণ হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও ছবিগুলির সত্যতা যাচাই করা যায়নি, তবে পানীয়টির এমন অস্বাভাবিক নাম হওয়ায় ছবিগুলি ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়ে গিয়েছে।

বোতলের লেবেলে লেখা হয়েছে যে, জিন্নাহ কীভাবে পাকিস্তানে থেকেও স্বাধীনচেতা জীবনযাপন করতেন৷ লেবেলে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কীভাবে জিন্নাহ পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা হন এবং যা ১৯৪৭ সালে একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। জিন্নাহ পুল খেলতেন, ধূমপান করতেন। শূকরের মাংসের সসেজও খেতেন। এমনকি, এও উল্লেখ করা হয়েছে যে, জিন-হুইস্কি ছিল তাঁর অন্যতম প্রিয় পানীয়। তাঁর এহেন জীবনযাপনকেই সম্মান জানানো হয়েছে এই পানীয়র লেবেলে। বোতলটির লেবেলে লেখা হয়েছে, এটি পাকিস্তান থেকে তৈরি।

এখানেই শেষ নয়, আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উল্লেখ রয়েছে বোতলের লেবেলে। ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রসঙ্গও উঠে এসেছে ওই বোতলের লেবেলে। ১৯৭৭ সালে সামরিক শাসন ঘোষণার পরে, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলি ভুট্টোর কাছ থেকে ক্ষমতা ছিনিয়ে নেওয়া পাকিস্তানি তারকা জেনারেল জিয়া-উল-হকের বিষয়েও উল্লেখ রয়েছে ওই লেবেলে।

তবে পানীয়র বোতলে পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতার নাম দেখে হতবাক নেটিজেনরা। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ যেমন এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন, ঠিক তেমনই অনেকেই আবার এই উদ্যোগের সমালোচনাও করেছেন। তবে এই উদ্যোগ যে একেবারেই অভিনব সে বিষয়ে কোনও সন্দেহই নেই। লোকে যাই বলুক না কেন, বা কারণ যাই হোক না কেন।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.