‘আমি কংগ্রেস ছাড়ব, তবে, সিধুকে কোথাও থেকে জিততে দেব না’! বিস্ফোরক অমরিন্দর

‘আমি কংগ্রেস ছাড়ব, তবে, সিধুকে কোথাও থেকে জিততে দেব না’! বিস্ফোরক অমরিন্দর
‘আমি কংগ্রেস ছাড়ব, তবে, সিধুকে কোথাও থেকে জিততে দেব না’! বিস্ফোরক অমরিন্দর

বংনিউজ ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ কয়েকদিন আগেই পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং৷ সিধু শিবিরের সঙ্গে সংঘাতের জেরেই তিনি ইস্তফা দিয়েছেন তিনি। আবার সম্প্রতি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ এবং কংগ্রেস ছাড়া নিয়ে জল্পনা শুরু হয় যে, তিনি এবার পদ্ম শিবিরে যোগ দিতে চলেছেন।

সে বিষয়ে মুখ খুললেন অমরিন্দর। তিনি জানিয়েছেন যে, প্রধান নভজ্যোত সিং সিধু রাজ্যের জন্য সঠিক ব্যক্তি নন। তিনি আরও বলেন, ‘আমি তাঁকে কোথাও থেকে জিততে দেব না।’ সাংবাদিক সম্মেলনে পঞ্জাবের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং বলেন, ‘আমি কংগ্রেস ছাড়ব। তবে, অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকের কোনও রাজনৈতিক সম্পর্ক ছিল না। অজিত দোভালের সঙ্গে পঞ্জাবের উপর দিয়ে পাক ড্রোনের মতো নিরাপত্তার বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি।’ তিনি আরও বলেছেন যে, তিনি তাঁর কর্মপরিকল্পনার বিষয়ে পরে কথা বলবেন। তিনি জানান, ‘আমার ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে পরে কথা বলব।’ এর পাশাপাশি ফ্লোর টেস্টের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে অমরিন্দর সিং বলেন, ‘স্পিকার সিদ্ধান্ত নেবেন যে ফ্লোর টেস্ট হবে কি না। সিধু মুখ্যমন্ত্রী চান্নির কর্তৃত্বকে খর্ব করছে।’

এদিকে, বৃহস্পতিবার অমরিন্দর সিং দিল্লিতে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গেও দেখা করেন। তিনি মঙ্গলবার দিল্লিতে আসার দিনই পঞ্জাব কংগ্রেস প্রধান পদ থেকে পদত্যাগ করেন নভজ্যোত সিং সিধু। অমরিন্দর সিং পঞ্জাব কংগ্রেস প্রধানের পদ থেকে নবজোত সিধুর পদত্যাগ নিয়েও অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছিলেন। তিনি এই পদক্ষেপের জন্য সিধুর সমালোচনা করেন এবং ‘নিছক নাটক’ বলে অভিহিত করেন। সিধুর পঞ্জাবের কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দেওয়া পরেই তাঁকে আক্রমণ করেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং। তিনি টুইটে লেখেন, ‘আমি আগেই বলেছিলাম ওঁর কোনও স্থিরতা নেই এবং উনি উনি সীমান্তবর্তী রাজ্য পঞ্জাবের জন্য যথার্থ নন।’

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, পঞ্জাব রাজনীতিতে সিধু এবং অমরিন্দরের দ্বন্দ্ব সর্বজনবিদিত। দীর্ঘদিন ধরেই এই দুয়ের মধ্যে বিবাদ চলছে। পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েও সিধুকে আক্রমণ করেছিলেন অমরিন্দর সিং। সিধু মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন এমন সম্ভাবনা তৈরি হলে ক্যাপ্টেন বলেছিলেন যে, ‘পাক সেনা প্রধান বাজওয়া এবং পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ওনার বন্ধু। দেশের নিরাপত্তার জন্য উনি বড় বিপদ।’ এরপরই দলের বিরুদ্ধে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি এও জানিয়েছিলেন যে, ‘ওনাকে যদি মুখ্যমন্ত্রীর মুখ করা হয় তবে দেশের স্বার্থে তার বিরোধিতা করব।’