বাবুলের রাজনীতি ছেড়ে দেওয়াকে নিজের ক্ষতি কেন বললেন অগ্নিমিত্রা পল?

বাবুলের রাজনীতি ছেড়ে দেওয়াকে নিজের ক্ষতি কেন বললেন অগ্নিমিত্রা পল?
বাবুলের রাজনীতি ছেড়ে দেওয়াকে নিজের ক্ষতি কেন বললেন অগ্নিমিত্রা পল?

রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানিয়ে ইতিমধ্যেই জল্পনার অবসান করেছেন বিজেপির আসানসোলের সংসদ বাবুল সুপ্রিয়। তার এই সিদ্ধান্তের বিজেপির অন্তর্কোন্দল সামনে এলেও বাবুল সুপ্রিয়র হঠাৎ রাজনীতি ছেড়ে দেওয়াতে মন খারাপ করেছেন দলের একাংশ। একই সঙ্গে শিল্পী মানুষ হিসেবে বাবুল সুপ্রিয় যে রাজনীতিতে থাকতে পারবেন না সেই কথাও জানিয়েছেন তৃণমূল নেতৃত্বরা।

বিজেপি মহিলা মোর্চা সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানান, বাবুল সুপ্রিয়র দল ছেড়ে দেওয়াতে তিনি ব্যক্তিগতভাবে খুব কষ্ট পেয়েছেন। অগ্নিমিত্র দেবীর কথায়, “এটা তার ব্যক্তিগত কারণ কেন সে পদত্যাগ করতে চাইছে। তবে আমার ক্ষেত্রে এটা খুব বড় ক্ষতি। আমি ওই এলাকায় বিধায়িকা হয়েছি। ২৩ বছরের বন্ধুত্ব আমাদের, আমরা একই প্লাটফর্মে থেকে রাজনীতি শুরু করেছি। বন্ধুর মতো আলোচনা করেছি, মাথার ওপর একটা অভিভাবক ছিল সেটা খালি হয়ে গেল। কথা না বলে, না জানিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে এটা আমার খুব কষ্ট হয়েছে”।

এদিকে, বাবুল সুপ্রিয়র রাজনীতি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত বারাসাতের বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তী জানিয়েছেন, “বাবুলকে ব্যক্তগত ভাবে চিনি,আমার ছবিতে ওকে দিয়ে গান গাইয়েছি,ওর বাড়িতে গিয়ে খাওয়াদাওয়া করেছি।আমি ওর কুষ্টি করেছিলাম,তখনই বলেছিলাম ওর একটা চেঞ্জ আসতে চলেছে,তবে দেরি হবে বলেছিলাম।সেটাই হল”। তিনি আরো জানান, “সেলিব্রেটিরা এমনটাই করে।তারা যেহেতু রাজনীতির লোক নয়,সেই কারণে তাদের চড়াই-উতরাই টা মেনে নিতে পারে না। আর যখন তাদের সাথে এমনটা হয় তাখনই তারা এই সিদ্ধান্ত নেয়”।

এদিকে, তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেন, “দল ওর প্রতি সুবিচার করেনি, ওতো রাজনীতির লোক নয়। আমরা যেমন হারা জেতার মধ্য দিয়ে রাজনীতি ধরে রাখি, ওর সেই স্ট্যামিনা নেই তাই ও রাজনীতি ছেড়ে দিয়েছে। আমি ওকে বলেছিলাম যাতে রাজনীতিটা না ছাড়ে। কিন্তু আমার মনে হচ্ছে না ওকে ধরে রাখা যাবে”।