ছট পুজোয় ভোর থেকেই গঙ্গার ঘাট পরিদর্শনে অর্জুন সিং

ছট পুজোয় ভোর থেকেই গঙ্গার ঘাট পরিদর্শনে অর্জুন সিং
ছট পুজোয় ভোর থেকেই গঙ্গার ঘাট পরিদর্শনে অর্জুন সিং

জেলাজুড়ে সমারোহে পালিত হল ছট পূজা। তবে ধীরে ধীরে এই পূজার প্রচলন বাড়ছে। এ বছর বিভিন্ন নদ নদী ঘাট গুলিতে পুণ্যার্থীদের অধিক পরিমাণ ভিড় লক্ষ্য করা যায়। বৃহস্পতিবার ছটপুজোর দ্বিতীয় পর্বে ভোর চারটে থেকে গঙ্গার ঘাট পরিদর্শনে ব্যারাকপুর সাংসদ অর্জুন সিং।

এদিন ভোররাত থেকেই জগদ্দল জেটিঘাটে উপস্থিত হয় সেখান থেকে লঞ্চে করে গঙ্গাবক্ষে ঘুরে গোটা বিষয়টির তদারকি করেন অর্জুন সিং। ভাটপাড়া, জগদ্দল, কাঁকিনাড়া অঞ্চলের বিভিন্ন গঙ্গার ঘাট ছটব্রতকারীদের উদ্দেশ্যে শুভেচ্ছা জানান। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের নানা সুবিধা অসুবিধা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন ব্যারাকপুর সাংসদ অর্জুন সিং।

আলিপুরদুয়ারেও বৃহস্পতিবার ভোরবেলায় ছট পূজাতে প্রতিটি ঘাটে পুণ্যার্থী এবং দর্শনার্থীদের ঢল দেখা গেল। সূর্যোদয়ের আগে থেকেই অপেক্ষায় ছিলেন পুণ্যার্থীরা। আলিপুরদুয়ারের বিভিন্ন ঘাটে পুজোর ডালি, প্রদীপ জ্বালিয়ে সূর্যোদয়ের অপেক্ষা করছিলেন তারা। সূর্য উদয়ের সাথে সাথেই শুরু হয় পূজা এবং তারপর পুণ্যস্নান। আলিপুরদুয়ার বেলতলা ঘাটে স্বপরিবারে পুণ্য স্নান করেন আলিপুরদুয়ার পৌরসভার প্রশাসক প্রসেনজিৎ কর।

মূলত অবাঙালি সম্প্রদায়ের মানুষজনরা প্রতি বছর কার্তিক মাসের শুক্লা তিথিতে ছট পূজা করে থাকেন। বহু যুগ আগে থেকে হিন্দু ধর্মে রামায়ণ এবং মহাভারতের কাহিনীতে ছট পূজার কাহিনীর বর্ণনা পাওয়া যায়। রামায়ণে শ্রী রামচন্দ্র লঙ্কা থেকে অযোধ্যায় ফিরে আসেন। অযোধ্যায় ফিরে এলে রামচন্দ্রের রাজ্য অভিষেক করা হয়। রামচন্দ্র তখন তার পত্নী সীতার সঙ্গে প্রজা কল্যানে রামরাজ্য স্থাপনের জন্য কার্তিক মাসের শুক্ল ষষ্ঠীতে সূর্যের উপাসনা করেছিলেন। পুরনো রীতি মেনেই আজও বছরের নির্দিষ্ট দিনে সারা দেশ ও রাজ্যের পাশাপাশি দিনাজপুর জেলাতেও ছট পূজায় মেতে ওঠেন অবাঙালি মানুষজন।