আবার রক্তাক্ত কাশ্মীর! সেনা-জঙ্গি সংঘর্ষে খতম লস্করের এক শীর্ষ কমান্ডার, শহিদ সেনা জওয়ানও

আবার রক্তাক্ত কাশ্মীর! সেনা-জঙ্গি সংঘর্ষে খতম লস্করের এক শীর্ষ কমান্ডার, শহিদ সেনা জওয়ানও
আবার রক্তাক্ত কাশ্মীর! সেনা-জঙ্গি সংঘর্ষে খতম লস্করের এক শীর্ষ কমান্ডার, শহিদ সেনা জওয়ানও / প্রতীকী ছবি

বংনিউজ ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ বিগত কিছু সময় ধরে কাশ্মীরে জঙ্গি কার্যকলাপ বেড়েছে। পাশাপাশি সেনার হাতেও খতম হয়েছে বহু জঙ্গি। ফের সেনা-জঙ্গি সংঘর্ষে রক্তাক্ত হল কাশ্মীরের মাটি। সেনা- জঙ্গি সংঘর্ষে খতম হয়েছে দুই জঙ্গি। এদের মধ্যে একজন আবার লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গি সংগঠনের শীর্ষ কমান্ডার। পাশাপাশি শহিদ হয়েছেন এক সেনা জওয়ানও।

গত কয়েকদিন ধরেই দক্ষিণ কাশ্মীরের সোপিয়ান জেলায় কয়েকজন জঙ্গি লুকিয়েছিল বলে গোপন সূত্রের খবর ছিল। এই নির্দিষ্ট খবরের ভিত্তিতে অভিযান চালায় সেনাবাহিনী। সেনা-জঙ্গির সংঘর্ষে মৃত্যু হয় দুই জঙ্গির। তাদের মধ্যে একজন লস্করের শীর্ষ কমান্ডার। নাম আদিল ওয়ানি। কাশ্মীর পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, খতম হওয়া জঙ্গি উত্তরপ্রদেশের শ্রমিক আলি সাগিরকে হত্যা করেছিল। আরও এক জঙ্গিকে নিকেশ করা হয়েছে। এনিয়ে গত দুই সপ্তাহ ধরে মোট ১৫ জঙ্গি। এমনটাই জানিয়েছেন কাশ্মীর পুলিশ প্রধান।

এদিনের অভিযানে তিন সেনা জওয়ানও গুরুতর জখম হন। তাঁদের মধ্যেই এদিন একজনের মৃত্যু হয়েছে। কাশ্মীরের পুলিশ আইজিপি বিজয় কুমার বলেন, ‘গত দু’সপ্তাহে ১৫ জন জঙ্গিকে নিকেশ করেছে যৌথ বাহিনী। তাঁদের মধ্যে আদিল ওয়ানি অন্যতম। তিন জওয়ান জখম হয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে একজন শহিদ হয়েছেন।’

উলেখ্য, গত কয়েকদিন ধরেই উত্তপ্ত জম্মু-কাশ্মীর। সাধারণ নাগরিক থেকে শুরু করে, সেনা জওয়ানদের একের পর এক মৃত্যু গোয়েন্দাদের চিন্তায় ফেলেছে। বিশেষ করে ভিন রাজ্য থেকে আসা মানুষকে নিশানা করছে জঙ্গিরা। যে কারণে ভূস্বর্গে সন্ত্রাসমূলক কার্যকলাপ রুখতে এবং জঙ্গি খোঁজে ব্যাপক ধরপাকড় শুরু করেছে সেনা। সাধারণ মানুষদের নিশানা করছে জঙ্গিরা। মনে করা হচ্ছে, নিরাপত্তারক্ষী এবং ভারতকে আঘাত করতে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠনগুলোর এবার লক্ষ্য এবার নিরস্ত্র সাধারণ মানুষ। কিছুদিন আগেই শ্রীনগরে এক স্কুলে জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটে। জঙ্গিরা স্কুলে ঢুকে দুই হিন্দু শিক্ষককে হত্যা করে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গতমাসেই পাক সেনার মদতে পুঞ্চ-রাজৌরি সেক্টর থেকে ভারতে অনুপ্রবেশ করেছিল ১০জন জঙ্গি। তাদের খোঁজে রাজৌরি সেক্টরে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। গোটা এলাকা ঘিরে ফেলা হয়। এর মধ্যে একাধিকবার সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াই হয়। কিন্তু জঙ্গিদের সঙ্গে সেই এনকাউন্টারে দুই জুনিয়র কমিশনড অফিসার-সহ ৯ জওয়ান শহিদ হন। তার পালটা হিসেবেই ছয় পাক জঙ্গিকে নিকেশ করে ভারতীয় সেনা।