জামিনের আবেদন খারিজ! আরিয়ান খানকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ আদালতের

জামিনের আবেদন খারিজ! আরিয়ান খানকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ আদালতের
জামিনের আবেদন খারিজ! আরিয়ান খানকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ আদালতের

বংনিউজ ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ আরিয়ান খান, আরবাজ মার্চেন্ট-সহ ৮ জনকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিল মুম্বইয়ের আদালত। কোর্টের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এই মামলার পরবর্তী শুনানি NDPS আদালতে হবে।

সূত্রের খবর, আরিয়ান খান এবং বাকিদের ১১ অক্টোবর পর্যন্ত হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছিল নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো। তবে, শুনানির পর, অবশেষে ধৃতদের জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। এদিকে, জেল হেফাজত হওয়ার আগেই আরিয়ান খানের অন্তর্বর্তী জামিনের আবেদন করা হয়। জানা গিয়েছে, শুক্রবারই ওই মামলার শুনানি হওয়ার কথা। আরিয়ান খানের আইনজীবী সতীশ মানেশিন্ডে জানিয়েছেন, ‘আমরা আরিয়ানের অন্তর্বর্তী জামিনের আবেদন করেছি। আগামীকাল সকাল ১১টায় আরিয়ানের জামিনের মামলার শুনানি রয়েছে।’

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত ৩ অক্টোবর মাদক কাণ্ডে যোগ থাকার অভিযোগে গোয়াগামী এক প্রমোদতরী থেকে বলিউড বাদশা শাহরুখ খান পুত্র আরিয়ান খান-সহ আটজনকে আটক করেছিল নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর অফিসাররা। দীর্ঘক্ষণ জেরার পর, আরিয়ান খানকে গ্রেফতার করে NCB। আরিয়ান খানকে আটক করার পর NCB-র অফিসাররা প্রথমেই আরিয়ানের ফোন বাজেয়াপ্ত করেন। এরপর খতিয়ে দেখা হয় যে, শেষ কয়েকদিন কার কার সঙ্গে ফোনে ও হোয়াটস অ্যাপে কথা বলেছেন আরিয়ান। এরপরই তাঁকে গ্রেফতার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

রবিবার ওই প্রমোদতরিতে আরিয়ানদের জুতো থেকে শুরু করে চোখের লেন্সের বাক্স, এমনকি মেয়েদের অন্তর্বাসেও লুকানো ছিল মাদক। তদন্তকারীদের দাবি, তদন্তে সহযোগিতা করছেন না আরিয়ান খান। তিনি জানাচ্ছেন না যে, কে তাঁদের মাদক সরবারহ করত? কেউই সঠিকভাবে কিছু জানাচ্ছেন না। এদিকে, আরিয়ানের আইনজীবী সতীশ মানশিণ্ডে আদালতে জানান যে, এই পার্টিতে যাওয়ার টিকিটও ছিল না আরিয়ানের কাছে, তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। এমনকি আরিয়ানের কাছে কোনও মাদকদ্রব্য ছিল না। তাই তাঁকে গ্রেফতার করাই ভুল। কিন্তু তাতে লাভ কিছুই হয়নি। জামিন পেলেন না আরিয়ান খান।