মেজাজটাই আসল! মেজাজ রঙিন করতে পুজোর পাঁচদিনে ১০০ কোটির মদ বিক্রি বাংলায়

মেজাজটাই আসল! মেজাজ রঙিন করতে পুজোর পাঁচদিনে ১০০ কোটির মদ বিক্রি বাংলায়
মেজাজটাই আসল! মেজাজ রঙিন করতে পুজোর পাঁচদিনে ১০০ কোটির মদ বিক্রি বাংলায় / প্রতীকী ছবি

বংনিউজ ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ বাঙালির সবথেকে বড় উৎসব দুর্গোৎসব। দুর্গাপুজো উপলক্ষে প্রচুর থাকা ব্যয় করে বাঙালি। খাওয়া-দাওয়া থেকে শুরু করে জমিয়ে শপিং। কাজেই এই সময় অনেক টাকাই খরচ হয়। তবে, শুধু কি শপিং আর কাওয়া-দাওয়া! এর সঙ্গে আরও অনেক কিছুই রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে করোনা আতঙ্কে গৃহবন্দী জীবন কাটাতে কাটাতে হাঁপিয়ে উঠেছিল মানুষ। তাই মা-দুর্গার আগমনের সঙ্গে সঙ্গে মানুষ একটু মুক্তির আনন্দ খুঁজে নিয়েছিল। উৎসবের মরশুমে তাই মেজাজ রঙিন করতে ইতিমধ্যেই কোটি কোটি টাকা ব্যয় করেছে বাঙালি। এমনটাই বলছে আবগারি দফতর। কেন এবং কীভাবে? আসলে আবগারি দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী, পুজোর পাঁচদিন অর্থাৎ ষষ্টি থেকে দশমী পর্যন্ত প্রায় ১০০ কোটি টাকার মদ বিক্রি হয়েছে বাংলায়।

উল্লেখ্য, পুজোর আগেই পানশালা এবং মদের দোকান অতিরিক্ত সময় খোলা রাখার কথা নির্দেশিকা জারি করে জানিয়েছিল নবান্ন। অন্যান্যবার অবশ্য দশমীতে দোকান বন্ধ থাকে। তবে, এবার পাঁচদিনই খোলা ছিল। এই ৫ দিনই মদ বিক্রি ছাপিয়ে গেছে আগের সব রেকর্ড। গতবছর বিক্রি হয়েছিল প্রায় ৪৫ কোটি টাকার মদ। আবগারি দফতর সূত্রের খবর, এবছর ৫ দিনে বিক্রি হয়েছে প্রায় ১০০ কোটি টাকার মদ।

পুজোর ৫ দিনের মধ্যে সবথেকে বেশি বিক্রি হয়েছে নবমীতে। কারণ প্রতিবছর দশমীতে দোকান বন্ধ থাকার কারণে অনেকেই নবমীতে মদ কিনে রাখেন বেশি করে। কারণ বিসর্জনের আগে অনেকেরই সুরা পানের সখ থাকে। আর সেই সখ পূরণের জন্যই নবমীতে বেশি করে মদ তুলে রাখা। এবারও তার অন্যথা হয়নি। যদিও এবছর দশমীতে খোলা ছিল দোকান। নবমীতে প্রায় ২৯ কোটি টাকার মদ বিক্রি হয়েছে। মদ বিক্রিতে এগিয়ে দুই মেদিনীপুর। পূর্ব এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে প্রায় ২৮ কোটি টাকার মদ বিক্রি হয়েছে। উল্লেখ্য, মদ থেকে সরকারের বিপুল পরিমাণ আয় হয়। পুজোয় সরকারের ভাঁড়ার পূর্ণ করলেন এ রাজ্যের সুরা প্রেমীরা।