কী সাংঘাতিক! গাড়ির সামনের কাচ বেয়ে উঠে আসছে বিশালাকার পাইথন! দেখুন ভাইরাল ভিডিও

কী সাংঘাতিক! গাড়ির সামনের কাচ বেয়ে উঠে আসছে বিশালাকার পাইথন! দেখুন ভাইরাল ভিডিও
কী সাংঘাতিক! গাড়ির সামনের কাচ বেয়ে উঠে আসছে বিশালাকার পাইথন! দেখুন ভাইরাল ভিডিও / ছবি সৌজন্যে- Screengrab from Youtube Video Upload By @Giorgi Javoiani

বংনিউজ২৪x৭ডিজিটাল ডেস্কঃ সত্যিই ভয়ঙ্কর! যেকোনো মুহূর্তে ঘটে যেতে পারত বড় বিপদ। যদিও তেমন কিছুই হয়নি। কথায় বলে সব ভাল যার শেষ ভাল। এক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। আসলে এতো কথকা বলা হচ্ছে একটি ভিডিও প্রসঙ্গে। ভিডিওটি ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে।

আসলে গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছিলেন অস্ট্রেলিয়ান এক দম্পতি। আচমকাই গাড়ির বনেট বেয়ে উইন্ড স্ক্রিনে উঠে আসে বিশাল এক পাইথন। আচমকা এমন একটা ঘটনায়, কী করবেন ভেবে না পেয়ে, তাড়াহুড়োয় ওয়াইপার দিয়েই সাপটিকে সরানোর চেষ্টা করেন তাঁরা।

জানা গিয়েছে, ওই দম্পতি নর্থ কুইন্সল্যান্ডের (Queensland) ব্রুস হাইওয়ে ধরে অ্যালিগেটর ক্রিকের (Alligator Creek) দিকে যাচ্ছিলেন। সেই সময়ই ঘটনাটি ঘটে। অনেকেই ওয়াইপার দিয়েই সাপটিকে সরানোর চেষ্টার বিরোধিতা করেছেন। অনেকেই তাঁদের এই অমানবিক আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁদের কথায়, এতে পাইথনটির মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারত। তবে, অনেকে আবার এই পরিস্থিতিতে ওই দম্পতির পাশেও দাঁড়িয়েছেন।

দ্য ডেইলি মেল-এর প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই দম্পতির নাম মেলিসা হাডসন এবং রডনে গ্রিগস। ওই দম্পতি ওয়াইপার দিয়ে সাপটিকে সরানোর চেষ্টা করলেও তাকে সরানো যায়নি। ভিডিওটি দেখে বোঝা যাচ্ছিল যে, ওই মহিলা কী করবেন, তা বুঝতে পারছিলেন না। মাঝে মাঝে তিনি আবার স্বামীকে সতর্ক হয়ে গাড়ি চালাতে বলছিলেন। তার কারণ সাপটিকে তাড়াতে গিয়ে বড় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারত।

একাধিক সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে ওই ভিডিওটি। সম্প্রতি ইউটিউবে এই ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে। ১৯ হাজারেরও বেশি লাইক পড়েছে ভিডিওটিতে। নানা জনে নানা মন্তব্য করেছেন। কেউ বলেছেন, দম্পতি বোকার মতো কাজ করেছেন। এভাবে সাপ তাড়াতে গিয়ে সাপটির ক্ষতি হতে পারত। আবার অনেকেই ওই দম্পতির পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, এই পরিস্থিতিতে পড়লে, কী করা উচিত তা বুঝে ওঠা মুশকিল হয়ে যায়।

এদিকে বারবার উইন্ড স্ক্রিন ওয়াইপারের ধাক্কা খেয়ে, একসময় নিস্তেজ হয়ে গিয়েছিল সাপটি। তবে শেষমেশ এই প্রাণীকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। মেলিসা হাডসন জানিয়েছেন, একইসঙ্গে ভয় আর উত্তেজনা দু’টোই কাজ করছিল তাঁদের। একটু এদিক-ওদিক হলেই বড় বিপদ হতে পারত। যদি সাপটি গাড়ির নিচে পড়ে যেত বা গাড়ির মধ্যে ঢুকে যেত, তাহলে বড় বিপদ হতে পারত।

তবে, শেষ পর্যন্ত ট্র্যাফিক পুলিশের সাহায্যে সাপটিকে উদ্ধার কয়রা সম্ভব হয়েছে। মেলিসা জানিয়েছেন, ট্র্যাফিক পুলিশ বেশ সাহসী ছিলেন এবং তিনি তাঁদের সর্বতভাবে সাহায্য করেন। তিনি ওই ট্র্যাফিক পুলিশকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন তাঁদের সাহায্য করার জন্য।