বালিহল্টের লিফট উদ্বোধন করতে গিয়ে আবেগপ্রবন বাবুল সুপ্রিয়

বালিহল্টের লিফট উদ্বোধন করতে গিয়ে আবেগপ্রবন বাবুল সুপ্রিয়
image source: facebook post by @BabulSupriyoOfficial

“আজ নস্টালজিক দিন। আমি উত্তরপাড়ার ছেলে। এই স্টেশন দিয়ে আমি মা-ঠাকুমা যাতায়াত করতাম। আমি আজও পাড়ার ছেলে।” বুধবার বালিহল্টের রেলের প্রকল্পের উদ্বোধনে এসে এভাবেই স্মৃতিমেদুরতায় ভাসলেন বাবুল সুপ্রিয়। তিনি বলেন, “এখানে আমি বড় হয়েছি। সিনেমা দেখেছি। কচুরি খেয়েছি। এখানে জামা কাপড় বানাতাম। বাবা, মা, ঠাকুমা নিয়ে এখানে আমার যাতায়াত। এই স্টেশন, ট্রেন ধরতে আসা আমার কাছে অনেক স্মৃতি। ”

৬২ টা সিঁড়ি ভেঙে তবে স্টেশনে উঠতে হয়। অফিসযাত্রীদের হৃদপিণ্ডটা যেন হাতে চলে আসে। ভোগান্তির এড়াতে রুটই বদলে ফেলেছেন মধ্যবয়স্করা। এই অবস্থায় উত্তরপাড়া-বালির মানুষকে আক্ষরিক ‘রিলিফ’ দিলেন বাবুল সুপ্রিয়। বাবুল নিজে উত্তরপাড়ার ছেলে, তাই অনুষ্ঠান শুরুর কিছুক্ষণেই বাঁক নিল স্মৃতিমেদুরতার সরণিতে।

আজ বাবুলবাবুর হাতেই উদ্বোধন হল বালিহল্টের লিফট। লিফটটা চালু হয়ে গেলে বহু মানুষের ভোগান্তি কমবে। তিনি জানান, ২ কোটি এই প্রকল্পের জন্য অনুমোদিত হয়েছিল। যদিও খরচ হচ্ছে ৮০ লাখ।

এ দিন গোটা অনুষ্ঠানটাতেই বাবুলবাবুর সঙ্গে দেখা গেল সদ্য তৃণমূল ছেড়ে আশা বৈশালী ডালমিয়াকে। বৈশালীর কথা শোনা গেল বাবুলেরও মুখে। বললেন, আমি এখানের এম পি, এম এল এ নই। বৈশালী আগে থেকে আমাদের সাহায্য করেছে। অভিষেক মনু সিঙ্ঘভিকে আমন্ত্রণ করেছিলাম। কিন্তু উনি এখানে এলেন না। ভালো কাজে আসেন না। ভাবেন বিরোধী দল মাইলেজ পাবে।