নতুন পদের জন্য শুভেচ্ছা জানিয়েও, দিলীপকে মৃদু খোঁচা দিতে ছাড়লেন না বাবুল সুপ্রিয়!

নতুন পদের জন্য শুভেচ্ছা জানিয়েও, দিলীপকে মৃদু খোঁচা দিতে ছাড়লেন না বাবুল সুপ্রিয়!
নতুন পদের জন্য শুভেচ্ছা জানিয়েও, দিলীপকে মৃদু খোঁচা দিতে ছাড়লেন না বাবুল সুপ্রিয়!

বংনিউজ ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ সদ্য নতুন ইনিংস শুরু করেছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। শনিবারই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন বাবুল। রাজ্য তথা জাতীয় রাজনীতিতে এটা বড় ধাক্কা। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই, আরও বড় চমক রাজনীতিতে। রাজ্য বিজেপিতে আচমকাই বড় পরিবর্তন ঘটে গেল। গতকালই রাজ্য বিজেপির সভাপতি পদ থেকে সরানো হল দিলীপ ঘোষকে। তাঁকে পাঠানো হল দলের জাতীয় সহ-সভাপতির পদে। আর তাঁর জায়গায় বিজেপির নতুন রাজ্য সভাপতি হলেন বালুরঘাটের সাংসদ ড. সুকান্ত মজুমদারকে। এই পরিবর্তনের পর, দিলীপ ঘোষকে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি তাঁকে মৃদু খোঁচা দিতেও পিছপা হলেন না বাবুল সুপ্রিয়।

রাজ্য বিজেপিতে এতো বড় পরিবর্তন নিয়ে বিস্তারিতভাবে কিছু না বললেও, দিলীপ ঘোষকে কটাক্ষ করার সুযোগ হাতছাড়া করলেন না সদ্য তৃণমূলে যাওয়া বাবুল সুপ্রিয়। উল্লেখ্য, বাবুলের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কোনদিনও তেমন ভাল ছিল না। বা বলা ভাল এই দুয়ের সম্পর্ক অম্লমধুর। শুরু থেকেই বাবুলের সঙ্গে দিলীপের একটা চাপা সংঘাত ছিল। এই পরিস্থিতিতে দিলীপকে রাজ্য বিজেপির সভাপতি পদ থেকে সরানো এবং তাঁকে জাতীয় স্তরে বিজেপির সহ-সভাপতির পদে আনা নিয়ে বিস্তারিতভাবে কিছু না বললেও, আগে তিনি থাকাকালীন এই রদবদল হলে কী করতেন? এনিয়ে মুখ খুললেন বাবুল সুপ্রিয়।

আসানসোলের সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়র স্পষ্ট কথা, এনিয়ে কোনও মন্তব্য করব না। “বিজেপির সংগঠনে কে আসবে আর কে যাবে তা ঠিক করবে তার কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এ বিষয়ে আমার কোনও মন্তব্য নেই। তবে, মজা করে এটা বলতে পারি যে, আমার দেওয়া বর্ণপরিচয়টা দিলীপ ঘোষের কাজে লাগবে। কারণ উনি সুকান্ত মজুমদারকে অভিনন্দন জানিয়ে যে টুইট করেছেন সেখানেও ভুল বাংলা লিখেছেন। দিলীপদা সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘ভারতীয় নতুন রাজ্য সভাপতি’ লিখেছেন। এটা লেখার কী মানে বুঝলাম না।” দিলীপ ঘোষকে তাঁর বাংলা নিয়ে খোঁচা দিলেও, পাশাপাশি তাঁর নতুন পদ নিয়ে শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন বাবুল। পরে অবশ্য টুইটারে দিলীপের টুইটটি সংশোধিত ভাবে দেখা যায়।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বিজেপি থেকে তৃণমূলে যাওয়ার পর, রাজ্য সভাপতি বাবুলকে ‘বাবুল পলিটিক্যাল ট্যুরিস্ট’, বলে কটাক্ষ করেছিলেন। আসানসোলের সাংসদ সেই মন্তব্যের পাল্টা জবাবও দিয়েছেন ইতিমধ্যেই। তিনি বলেছিলেন যে, বিদ্যাসাগরের বর্ণপরিচয় উপহার দেবেন দিলীপকে।

তিনি বলেছিলেন, ‘ইংরেজিতে রয়েছে থারুরের ইংলিশ। পশ্চিমবঙ্গে আবার দিলীপদার বাংলা। ওঁকে বিদ্যাসাগরের বর্ণপরিচয় উপহার দেব। যাতে বাংলা ভাষাতেই উনি কথা বলেন, বাংলা ভাষাকে কলঙ্কিত বা কলুষিত না করেন। উনি কটাক্ষ করেছেন। আমি ওঁর বক্তব্য পড়িনি।’