স্বামীর বিরুদ্ধে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগ! মনোজিতের কাছে ডিভোর্স চাইলেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়

স্বামীর বিরুদ্ধে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগ! মনোজিতের কাছে ডিভোর্স চাইলেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়
স্বামীর বিরুদ্ধে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগ! মনোজিতের কাছে ডিভোর্স চাইলেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়

বংনিউজ ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়েছেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই এবার স্বামীর থেকে ডিভোর্স চাইলেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। জানালেন, স্বামীকে ‘মুক্তি’ দিতে চান তিনি।

মঙ্গলবারই নিজের মনের কথা খুলে জানিয়েছেন প্রাক্তন অধ্যাপিকা বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। গত তিন বছর তাঁর স্বামী বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে আবদ্ধ। তাঁরা একসঙ্গে মাঝে মাঝে বিদেশেও যায়। এমনকি ওই মহিলার একটি মেয়েও রয়েছে। গোটা বিষয়টিতে তিনি মানসিকভাবে অত্যন্ত কষ্ট পেয়েছেন। কিন্তু তিনি কোনও বিবাদে যেতে চান না। সোজা বিচ্ছেদকেই শ্রেয় মনে করছেন। তাঁর মতে, জোর করে কোনও সম্পর্ককে ধরে রাখা যায় না, সেটা কোনও বুদ্ধিমানের কাজ নয়। আর তিনি তেমন কিছু চানও না। তাই বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত। তিনি বলেছেন, ‘বাকিরা যখন বলে, আমার স্বামী অন্য কারও সঙ্গে ঘুরে বেড়াচ্ছে, সেটা শুনতে ভাল লাগে না। আমারও তো মান-সম্মান আছে।’ আর সেই জন্যই এবার বৈবাহিক সম্পর্কে ইতি টানতে চাইছেন প্রাক্তন বিজেপি নেত্রী বৈশাখী।

অন্যদিকে, গোটা ঘটনা সরাসরি স্বীকার না করলেও, মনোজিৎ জানিয়েছেন, ব্যক্তিগত জীবনে তিনি কী করছেন, সেই উত্তর তিনি কাউকে দিতে রাজি নন। তিনি আরও বলেন যে, বৈশাখী যখন তাঁর সঙ্গে থাকতে অস্বীকার করেন, তখন তিনি আপত্তি করেননি। বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় বাড়ি ছেড়ে যাওয়ার সময়ও তাঁকে আটকাননি। তাই তিনি কাউকে কোনও কৈফিয়ত দিতে রাজি নন।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মাস কয়েক আগে ফেসবুকে নিজের সঙ্গে শোভন চট্টোপাধ্যায়ের ছবি পোস্ট করে জল্পনা উসকে দিয়েছিলেন বৈশাখী। ক্যাপশনে লিখেছিলেন, ‘The journey from Me to We begins…’। যার বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায়, ‘শুধু আমি থেকে আমাদের একসঙ্গে পথচলা শুরু।’ এখানেই শেষ নয়, প্রোফাইলের নাম বদলে, ‘বৈশাখী শোভন বন্দ্যোপাধ্যায়’ করেছিলেন। এরপরেই জানা গিয়েছিল, নিজের স্থাবর-অস্থাবর সমস্ত সম্পত্তি বৈশাখীর নামে লিখে দিয়েছেন কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়। আর এবার বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগ এনে বৈশাখী নিজের স্বামীর কাছ থেকে ডিভোর্স চাইলেন।