ফেসবুকের ‘হা হা’ রিঅ্যাকশনের উপর ফতোয়া জারি বাংলাদেশি ধর্মগুরুর! কারণ জানালেন নিজেই

ফেসবুকের 'হা হা' রিঅ্যাকশনের উপর ফতোয়া জারি বাংলাদেশি ধর্মগুরুর! কারণ জানালেন নিজেই
ফেসবুকের 'হা হা' রিঅ্যাকশনের উপর ফতোয়া জারি বাংলাদেশি ধর্মগুরুর! কারণ জানালেন নিজেই

আজকাল প্রায় দিনে দিনে বাড়ছে টুইটার, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামের মতো সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলির জনপ্রিয়তা। তবে বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ায় মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় হল ফেসবুক। যতদিন যাচ্ছে মানুষ তত বেশি ফেসবুকাসক্ত হয়ে পড়ছেন। ফেসবুকের মাধ্যমে সিরিয়াস বিষয় আলোচনার পাশাপাশিই হাজারও মজাদার ভিডিও, ছবি বা মিম শেয়ার করে চলেছেন মানুষ। আর এই মিম বা মজার পোস্টগুলির জন্য রয়েছে ‘হা হা’ রিঅ্যাকশনও। কোনও পোস্ট বা মিমে মজা পেলে ‘হা হা’ রিঅ্যাকশন টিপে জানান দেন ইউজাররা। তবে জানেন কি এই রিঅ্যাকশন নাকি ‘হারাম’? ইসলামের চোখে তা নাকি পাপ? ধর্মের পুরোপুরি বিরোধী?

সম্প্রতি এমনই এক অদ্ভুত নিদান দিলেন বাংলাদেশের ধর্মগুরু মৌলবি আহমেদুল্লাহ। তিনি ‘হা হা’ রিঅ্যাকশনের ওপর জারি করলেন ফতোয়া। কিন্তু কেন? নিজের মুখেই জানালেন তা। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়েছে তাঁর একটি ভিডিও। সেখানে আহমেদুল্লাহকে বলতে শোনা গিয়েছে, আল্লাহর দোহাই। কাউকে বিদ্রুপ করার জন্য হা হা রিঅ্যাকশন দেবেন না। ইসলামের চোখে তা হারাম। এই ধরনের কাজ করা ইসলাম ধর্মের বিরোধী।”

উল্লেখ্য, ফেসবুক এবং ইউটিউবে মৌলবি আহমেদুল্লাহর বিপুল জনপ্রিয়তা। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচুর ফলোয়ারও রয়েছে তাঁর। পাশাপাশি টেলিভিশনের বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে এসে বক্তব্যও রাখেন আহমেদুল্লাহ। এবার ফেসবুকের ‘হা হা’ রিঅ্যাকশন নিয়ে ফতোয়া জারি করে তাঁর মত, স্রেফ মজা ওড়ানো বা কাউকে বিদ্রুপ করার জন্য ‘হাহা’ রিঅ্যাকশন দেওয়া সম্পূর্ণ অনুচিত। কাউকে নিয়ে হাসাহাসি বা ঠাট্টা করা করা পাপ। তবে তিনি এও জানান, যদি কেবল হাসির বা মজার জন্য কেউ ‘হাহা’ রিঅ্যাকশন দেন, তাহলে তা খারাপ কিছু নয়। কিন্তু কাউকে বিদ্রুপ বা ঠাট্টা করা যাবে না।

যদিও মৌলবির এই অদ্ভুত ফতোয়া শুনে অবাক হয়ে গিয়েছেন নেটিজেনরা। সমর্থকরা তাঁকে সমর্থন জানালেও তাঁর ভিডিওটি ভরে উঠেছে অধিকাংশ নেটিজেনদের ‘হা হা’ রিঅ্যাকশনে। অনেকেই তাঁর ফতোয়াকে ভালো নজরে দেখেননি। সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন বেশ ভাইরাল এই ভিডিও।