অন্যান্য

ফ্রিজে এই জিনিসগুলি রাখা থেকে সাবধান, সমস্যায় পড়তে পারেন

বংনিউজ২৪x৭ ডেস্কঃ ফ্রিজ আমাদের কাছে খুবই উপকারী একটা জিনিস। বাড়িতে খাওয়ার যেকোনো খাদ্য সতেজ রাখতে আমরা ফ্রিজে রেখে দিই। আবার অনেক সময় কোনো খাবার বেড়ে গেলেও ফ্রিজে রেখে দিই আমরা, পরে আমরা সেই খাবার খেয়ে থাকি। এভাবেই ফ্রিজ আমাদের কাছে প্রয়োজনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে সকল জিনিস ফ্রিজে রাখলে সমস্যা দেখা দিতে পারে। কারণ সকল খাদ্য ফ্রিজে রাখার উপযোগী নয়। চলুন আজ জেনে নিই কোন কোন জিনিস ফ্রিজে রাখলে সমস্যা হতে পারে..

মধুঃ ফ্রিজে মধু রাখলে মধুর গুনাগুন নষ্ট হয়ে যায় সঙ্গে মধু জমাট বেঁধে যায়। তাই ফ্রিজে মধু না রেখে কাঁচের সিসি করে বাড়িতে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রাখুন। এতে মধুর গুনাগুন বজায় থাকবে।
পাউরুটিঃ অন্যদিকে ঠান্ডায় পাউরুটি রাখলে তা ঝুরঝুরে হয়ে যায়। তাই বাড়ির স্বাভাবিক তাপমাত্রাতেই পাউরুটি থাকা উপকাএই
কফিঃ ফ্রিজে কফিরাখলে তা খুব দ্রুত গন্ধ হারিয়ে ফেলে। এমনকী ফ্রিজে থাকা অন্য সব জিনেসের

কলাঃ এছাড়া ফ্রিজে কলা রাখাও উচিত না। এতে কলা তার পরিপক্কতা হারায়, সঙ্গে কলার স্বাভাবিক গুণাবলিও নষ্ট হয়ে যায়। তাই কলা কখনই ফ্রিজে না রাখবেন না।
পেঁয়াজঃ উল্লেখ্য পেঁয়াজ বেশি থান্ডায় রাখলে তা নরম হয়ে যায়। সঙ্গে পেঁয়াজের গন্ধ ফ্রিজে থাকা অন্যান্য খাবারে প্রবেশ করে। তাই খুব প্রয়োজন না হলে ফ্রিজে পেঁয়াজ না রাখায় শ্রেয়।
টমেটোঃ ফ্রিজের অতিরিক্ত ঠান্ডায় টমেটোর স্বাভাবিক গুণগুন নষ্ট হয়ে যায়। দেখা দেয় ‘ফাঙ্গাল ইনফেকশন’ হয়। ফলে ঐ টমেটো তখন ক্ষতিকারক খাদ্যে পরিনত হয়ে থাকে।

আলুঃ এছাড়া ফ্রিজে আলু রাখলে আলু বেশি মিস্টি হয়ে যায় ও আলুর গন্ধ চলে যায়। তাই আলু ফ্রিজে না রেখে কাগজের প্যাকেটে ভরে বাড়িতে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রাখুন।
রসুনঃ অন্যদিকে গোটা রসুনও ফ্রিজের অতিরিক্ত ঠাণ্ডায় শুকিয়ে যায়। তাই ফ্রিজে গোটা রসুনের বদলে রসুন পেস্ট করে প্রায় ১৫ দিন মতো রাখা যেতে পারে। এছাড়া মনে রাখবেন ফ্রিজের ৩৭-৪০ ডিগ্রি ফারেনহাইটের মধ্যে তাপামাত্রা স্থির করে রাখবেন। এই তাপমাত্রায় ফ্রিজে রাখা যেকোনো খাবারের খাদ্যগুণ ঠিক থাকে।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.

Back to top button