পিঠের অসহ্য যন্ত্রণা থেকে মিলেছে মুক্তি! এই বাঙালিকে কৃতিত্ব দিলেন ‘সুস্থ’ বিরাট কোহলি

পিঠের অসহ্য যন্ত্রণা থেকে মিলেছে মুক্তি! এই বাঙালিকে কৃতিত্ব দিলেন 'সুস্থ' বিরাট কোহলি / Image Source: Instagram @virat.kohli
পিঠের অসহ্য যন্ত্রণা থেকে মিলেছে মুক্তি! এই বাঙালিকে কৃতিত্ব দিলেন 'সুস্থ' বিরাট কোহলি / Image Source: Instagram @virat.kohli

ক্রীড়াক্ষেত্রে খেলোয়াড়দের চোট-আঘাত পাওয়া নতুন কিছু ঘটনা নয়। ময়দানে নেমে প্রায়ই চোটের কবলে পড়তে দেখা যায় অ্যাথলিটদের। পেশাগত জীবনে চোট-আঘাতের জেরে অনেক সময় দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে কাটাতে হয় তাঁদের। সেই তালিকায় রয়েছেন বর্তমান ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলিও। একটা সময় পিঠে মারাত্মক যন্ত্রণায় কাবু ছিলেন তিনি৷ যার জের পড়ত খেলাতেও। কিন্তু সেসব সারিয়ে এখন সম্পূর্ণ সুস্থ বিরাট। কীভাবে? সেই কৃতিত্ব তিনি দিলেন এক বাঙালিকেই।

জানা গিয়েছে, ২০১৪ সালে পিঠে মারণ যন্ত্রণায় জর্জরিত হয়ে পড়েছিলেন বিরাট। সেই সময় তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন সেই বাঙালি। তিনি হলেন স্ট্রেন্থ ও কন্ডিশনিং কোচ শঙ্কর বাসু৷ ২০১৫-১৯ মরশুম পর্যন্ত ভারতীয় দলের স্ট্রেন্থ এবং কন্ডিশনিং কোচ ছিলেন শঙ্কর। সেই সময়ই বিরাটের পিঠের ব্যথা সারাতে সাহায্য করেছিলেন তিনি। সম্প্রতি ‘১০০,২০০ প্র্যাক্টিক্যাল অ্যাপ্লিকেশান্স ইন স্ট্রেন্থ অ্যান্ড কন্ডিশানিং’ একটি বই লিখেছেন শঙ্কর। সেই বইয়ের মুখবন্ধ লিখেছেন কোহলি। একই সঙ্গে সেই বইতে জীবনের এই অজানা কাহিনী তুলে ধরেছেন ভারত অধিনায়ক।

বিরাট লিখেছেন, “২০১৪ সালের শেষ দিকে আমি পিঠের যন্ত্রণা অনুভব করি। তা নিয়মিত বাড়তেই থাকে। এই মারণ ব্যথা কমানোর জন্য রোজ সকালে অন্তত ৪৫ মিনিট ব্যায়াম করতে হত, তবুও রেহাই পেতাম না। প্রতিদিন সেই ব্যথায় আমি কাবু থাকতাম। সেই সময় এই বিষয়ে আমি বাসু স্যারের সঙ্গে আলোচনা করি। কীভাবে এর থেকে মুক্তি পাবো বা শরীরের শক্তি আরও বাড়ানো যাবে সেই বিষয়ে আমাদের কথা হত।”

বিরাট আরও লেখেন, “প্রথম প্রথম আমি ওজন তোলার ক্ষেত্রে বিশ্বাসী ছিলাম না। বাসু স্যারই আমাকে বোঝান। ২০১৫ সালে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সিরিজের সময় থেকে আমি ওজন তুলতে শুরু করি এবং ধীরে ধীরে অগ্রগতি বুঝতে শুরু করি। এরপরই ধীরে ধীরে আমার পিঠের ব্যথারও উপশম হতে থাকে।” সবশেষে তাঁর এই কঠিন সময়ে পাশে থেকে তাঁকে সুস্থ হতে সাহায্য করার জন্য শঙ্কর বাসুকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন কোহলি।