বাইক চুরির তদন্তে নেমে কিনারা হলো খুনের! ধৃত ২

বাইক চুরির তদন্তে নেমে কিনারা হলো খুনের! ধৃত ২
বাইক চুরির তদন্তে নেমে কিনারা হলো খুনের! ধৃত ২

তদন্ত শুরু হয়েছিল বাইক চুরির। তবে কিনারা হলো খুনের। এমন ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে সাঁকরাইলে। হাওড়ার সাঁকরাইলের মানিকপুরে বাইকচুরির ঘটনার তদন্তে এমন ঘটনার কথা জানতে পারল পুলিশ। বড়সড় বাইক চুরির ঘটনার তদন্তের কিনারা করতে গিয়ে এক নিখোঁজ যুবকের হত্যা রহস্যের কিনারা করল সাকরাইল থানা ও মানিকপুর তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ।

দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বাইক চুরির ঘটনা অভিযোগ আসছিল। এরপরে এই ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে দুই যুবককে গ্রেফতার করে মানিকপুর থানার পুলিশ। অন্যদিকে, মনিকপুরের শেখ হাসান নামে এক যুবককে খুঁজে না পাওয়া যাওয়ায় তার বাড়ির লোক নিখোঁজ ডায়েরি করে থানায়।

এরপরে বাইক চুরির ঘটনা নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা শুরু হয় ওই দুই ধৃতকে। এখনই খুনের ঘটনার কথা স্বীকার করে তারা। জানায়, তাদের দলেরই একজন পুলিশকে সাহায্য করছে এমন সন্দেহের বশবর্তী হয়ে নিজেদের দলের একজনকে খুন করে দেহটি মাটির নিচে পুঁতে রেখেছে তাঁরা। এরপরেই প্রায় তিনমাস নিখোঁজ থাকা ওই যুবকের দেহ উদ্ধার করল পুলিশ।

গত জুন মাস থেকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিলনা হাসানকে। এই ঘটনার তদন্তে নেমে সাকরাইল থানা ও মানিকপুর তদন্তকেন্দ্রর পুলিশ দুজনকে গ্রেফতার করে। পুলিশের জেরায় তারা জানায় যে হাসানকে তারা খুন করে ইটভাটায় পুঁতে দিয়েছে। এরপরেই শুক্রবার বিকেলে অভিযুক্তদের সঙ্গে নিয়ে ইটভাটা থেকে হাসানের দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়।সেগুলো পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

গোটা ঘটনায় মৃতের দাদা শেখ শামসের জানান, তাঁর ভাই দর্জির কাজ করতো। একই পাড়ায় থাকার দরুন অভিযুক্তদের সঙ্গে আলাপ হয় তার। তবে অভিযুক্তদের সন্দেহ হয় হাসান পুলিশের হয়ে কাজ করছে। আর সেই কারণেই তাকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ মৃতের পরিবারের।