সিপিএম বনাম বিজেপি সংঘর্ষে অগ্নিগর্ভ ত্রিপুরা! টুইটে সোচ্চার হলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

সিপিএম বনাম বিজেপি সংঘর্ষে অগ্নিগর্ভ ত্রিপুরা! টুইটে সোচ্চার হলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়
সিপিএম বনাম বিজেপি সংঘর্ষে অগ্নিগর্ভ ত্রিপুরা! টুইটে সোচ্চার হলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

বংনিউজ ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ এবার সিপিএম বনাম বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল ত্রিপুরা। সিপিএম কর্মীদের বাড়ি-গাড়ি এবং কার্যালয়ে আগুন লাগানোর অভিযোগ উঠল বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে। একাধিক হামলার ঘটনায় পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে বিশালগঢ়-উদয়পুর এলাকার। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার নিজের বিধানসভা কেন্দ্র ধনপুরেও ঢুকতে বাঁধা পেয়েছিলেন। সেই সময়ও সিপিএম-বিজেপি সংঘর্ষে কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল মানিক সরকারের বিধানসভা কেন্দ্র। গতকাল আবারও একবার নতুন করে পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠল। তবে, বুধবারের ঘটনায় তাৎপর্যপূর্ণভাবে সরব হলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে টুইটের মাধ্যমে এই ঘটনার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন।

সূত্রের খবর, বুধবার বিশালগঢ়-উদয়পুর এলাকা সিপিএমের একাধিক দফতর ও কার্যালয়ে হামলা চালানোর পাশাপাশি অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটানো হয়। অভিযোগের আঙুল ওঠে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীদের দিকে। এখানেই শেষ নয়। সিপিএম-এর দলীয় কার্যালয়ের সামনে একাধিক গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। এদিকে বাম কর্মী-সমর্থকদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয় যে, আগরতলা মেলার মাঠ এলাকায় থাকা সিপিএম কার্যালয়েও আগুন লাগিয়ে দেয় বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। তবে, সিপিএম-এর এই দাবি প্রসঙ্গে বিজেপির পক্ষ থেকে পাল্টা দাবিতে বলা হয় যে, এটা আসলে সাধারণ মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ।

উল্লেখ্য, এই ঘটনার শুরুটা হয় দু’দিন আগে। সোমবার ধনপুর এলাকায় যখন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার ঢুকতে যাচ্ছিলেন। সেই সময় তাঁর কনভয়ে হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে বিজেপির বিরুদ্ধে। এরপরই আগ্রাসী মেজাজ ধারণ করে এলাকার সিপিএম কর্মীরা। যা নিয়ে গোটা রাজ্যজুড়ে ধিক্কার মিছিল বের করা হয়। সেই ধিক্কার মিছিল চলাকালীনই এদিন ত্রিপুরার বেশ কিছু এলাকায় আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটে। অগ্নিসংযোগ করা হয় একাধিক সিপিএম কার্যালয় এবং সংবাদ মাধ্যমের গাড়িতে।

প্রথমদিকে এই ঘটনা নিয়ে তৃণমূলের পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া মিলেছিল না। কিন্তু বুধবার রাতে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করে টুইটে সরব হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক টুইট করে লেখেন, ‘হিংসা এবং গুণ্ডামি এমনভাবে বিজেপির মজ্জাগত যে তারা গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভকেও নৃশংসভাবে আক্রমণ করতে ছাড়ছে না।’ তিনি টুইটে সিপিএমের নাম উল্লেখ না করলেও মিডিয়ার উপর আক্রমণের নিন্দা জানিয়েছেন তিনি।

উল্লেখ্য, যখন ত্রিপুরায় তৃণমূল কর্মী-সমর্থন এমনকী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয়ে হামলার ঘটনা ঘটে, সেই সময় খোদ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারও এই নিয়ে সরব হন। কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণভাবে টুইটে অভিষেক কোথাও সিপিএমের নাম নেননি।