‘বিজেপি এই কালচারে বিশ্বাসী নয়, মদন মিত্রের ছেলেরাই গন্ডগোল করেছে’, কামারহাটি গুলিকাণ্ডে হুঙ্কার দিলীপের

‘বিজেপি এই কালচারে বিশ্বাসী নয়, মদন মিত্রের ছেলেরাই গন্ডগোল করেছে’, কামারহাটি গুলিকাণ্ডে হুঙ্কার দিলীপের
‘বিজেপি এই কালচারে বিশ্বাসী নয়, মদন মিত্রের ছেলেরাই গন্ডগোল করেছে’, কামারহাটি গুলিকাণ্ডে হুঙ্কার দিলীপের

বংনিউজ ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ এবার কামারহাটি গুলিকাণ্ডে মুখ খুললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। রীতিমতো হুঙ্কার দিয়ে বললেন, বিজেপি এই কালচারে বিশ্বাসী নয়। বেলঘরিয়া পার্টি অফিসে ঢুকে, তৃণমূলকর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করলেন তিনি। মদন মিত্রের অভিযোগের পাল্টা অভিযোগ করে, তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, ‘মদন মিত্রের ছেলেরাই গণ্ডগোল করেছে। ভাগ-বাঁটোয়া নিয়ে সব জায়গায় গণ্ডগোল শুরু হয়েছে।’

শনিবার রাত ১০ টা নাগাদ, কামারহাটি বিধানসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের বিভার রোড পার্টি অফিসের সামনে বসেছিলেন স্থানীয় তৃণমূলকর্মীরা। আচমকাই ৭ থেকে ৮ টি বাইকে চেপে পার্টি অফিসের সামনে জড়ো হয় একদল দুষ্কৃতী। এরপরই পার্টি অফিসের ভিতরে ঢুকে, তৃণমূল কর্মীদের উপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। শুধু হামলাই নয়, গুলি চালানো হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। জানা গিয়েছে, গুলি চালানোর ঘটনায় মানস বর্ধন নামে একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

এই ঘটনায় রীতিমতো হতভম্ব স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয় বাসিন্দারা যতক্ষণে বাইরে বেরিয়ে আসেন, ততোক্ষণে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছে দুষ্কৃতীরা। এই হামলার ঘটনার খবর পাওয়ার পরেই, কামারহাটি পৌঁছান বিধায়ক মদন মিত্র। তিনি অভিযোগ করেছেন, ‘উত্তর ২৪ পরগণা জেলা থেকে বিজেপি শেষ হয়ে গিয়েছে। আমাদের পার্টির মধ্যে কতগুলি দালাল তৈরি করছে বিজেপি। তাদেরক দিয়ে এসব কাজ করাচ্ছে।’ শুধু অভিযোগ করাই নয়, তিনি হুঁশিয়ারির সুরে বলেছেন, ‘আমারা নাইট গার্ড দেব। পার্টির ঝান্ডা নিয়ে প্রত্যেকটা মোড়ে মোড়ে আমরা পাহারা দেব। কার কার মস্তানি আছে, দেখতে চাই।’

মদন মিত্রের এই অভিযোগের পরেই, পাল্টা অভিযোগ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি অভিযোগের আঙুল তুলেছেন তৃণমূলের দিকেই। তিনি বলেন, ‘গোলা-গুলি চলছে। পার্টি অফিস ভেঙে দেওয়া হচ্ছে। এটাই টিএমসির কালচার। যারা এসব করে, তাঁরাই পার্টিতে জেতাচ্ছে, পয়সা দিচ্ছে। ইনকামের রাস্তা তো চাই। তাই নিয়েই গন্ডগোল। বিজেপি ওই কালচারে বিশ্বাস করে না।’

উল্লেখ্য, কালকের এই হামলার ঘটনায়, ইতিমধ্যেই বেলঘড়িয়া থানার পুলিশ ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, প্রোমোটিং নিয়ে বিবাদের কারণেই তৃণমূলের পার্টি অফিসে হামলা হয়েছে।