রাজ্য বিজেপির সংগঠনে আবারও কি রদবদলের সম্ভবনা? দিল্লিতে শাহী দরবারে সুকান্ত

রাজ্য বিজেপির সংগঠনে আবারও কি রদবদলের সম্ভবনা? দিল্লিতে শাহী দরবারে সুকান্ত
রাজ্য বিজেপির সংগঠনে আবারও কি রদবদলের সম্ভবনা? দিল্লিতে শাহী দরবারে সুকান্ত

বংনিউজ ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ রাজ্য বিজেপিতে সম্প্রতি বড় রদবদল হয়ছে। রাজ্য বিজেপির সভাপতি পদে আনা হয়েছে সুকান্ত মজুমদারকে। আর রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষকে করা হয় সর্বভারতীয় সহসভাপতি। তবে, সাম্প্রতিকের উপনির্বাচনে রাজ্য বিজেপির ভরাডুবির পর, আবারও কি রাজ্য বিজেপিতে রদ বদল হবে? এমনই জল্পনা শুরু হয়েছে সম্প্রতি।

এদিন এমনই সম্ভবনার কথা উস্কে দিয়ে, দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। পাশাপাশি বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন)  বি এল সন্তোষের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন সুকান্ত মজুমদার। এছাড়াও বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডার সঙ্গেও দেখা করার কথা তাঁর৷

বাংলায় একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে, তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের হিড়িক পড়ে গিয়েছিল। আবার একুশের ফল প্রকাশের পরে, এর ঠিক উল্টো ছবিও ধরা পড়ে। ফল প্রকাশের পর থেকেই বিজেপি থেকে থেকে তৃণমূলে যোগদানের হিড়িক পড়ে যায়। উল্লেখ্য, রাজ্য জুড়েই বিজেপির সংগঠনে ভাঙন ধরেছে। শাসক দলের সন্ত্রাসের শিকার হতে হচ্ছে তাঁদের কর্মীদের৷ তার ফলে ক্রমশ আরও দুর্বল হচ্ছে সংগঠন৷

একদিকে দলের অন্দরে অশান্তি, ভাঙন, অন্যদিকে আবার, পরপর উপনির্বাচনে বিজেপি-র ধরাশায়ী অবস্থা৷ সবমিলিয়ে রাজ্য বিজেপি-র পরিস্থিতি নিয়ে যথেষ্টই উদ্বিগ্ন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব৷ গত দু’দিন ধরেই দিল্লিতে রয়েছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার৷ সূত্রের খবর, রাজ্য সংগঠনে রদবদল নিয়ে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে তাঁর৷ বি এল সন্তোষের পর রাজ্যে দলের পরিস্থিতি অমিত শাহকেও জানিয়েছেন নবনিযুক্ত বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার৷ বাংলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে বিজেপি রাজ্য সভাপতির৷

প্রসঙ্গত, রাজ্যে বিজেপি এবং নিজেদের সংগঠনের বেহাল অবস্থা নিয়ে কয়েকদিন আরএসএস-এর নিজস্ব পর্যালোচনাতেও উদ্বেগের ছবিই ধরা পড়েছে৷ রাজ্যে এই মুহূর্তে গেরুয়া শিবিরের সংগঠনের যা অবস্থা, তাতে ২০২৪ সালে এ রাজ্যে বিজেপির ভাল ফলের আশা কমছে বলেও আরএসএস-এর পর্যালোচনায় উঠে এসেছে৷ তার উপরে আদি ও নব্যের দ্বন্দ্বেও অস্বস্তিতে পড়তে হচ্ছে দলকে৷ রাজ্যের সংগঠনকে নতুন করে সাজিয়ে তুলতে তাই আর দেরি করতে রাজি নয় বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব৷ কারণ, বাংলা দখলের স্বপ্ন পূরণ না হলেও, বাংলা নিয়ে এখনই হাল ছাড়তে নারাজ মোদীরা-শাহরা।