যুব তৃণমূলের সভানেত্রী সায়নী ঘোষের গ্রেফতারির প্রতিবাদ! ত্রিপুরা গেলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু

যুব তৃণমূলের সভানেত্রী সায়নী ঘোষের গ্রেফতারির প্রতিবাদ! ত্রিপুরা গেলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু
যুব তৃণমূলের সভানেত্রী সায়নী ঘোষের গ্রেফতারির প্রতিবাদ! ত্রিপুরা গেলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু

বংনিউজ ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ রাজনৈতিক অশান্তির জেরে উত্তপ্ত ত্রিপুরা। গতকাল দিনভর পূর্ব আগরতলা থানায় পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের পর, বিকেলের দিকে গ্রেফতার করা হয় যুব তৃণমূলের সভানেত্রী সায়নী ঘোষকে। দলের প্রচারে বেরিয়ে রাজনৈতিক উস্কানি, গাড়ি চাপা দিয়ে খুনের চেষ্টার মতো গুরুতর সব অভিযোগ আনা হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। ভারতীয় দণ্ডবিধির জামিন অযোগ্য ধারায় মামলাও দায়ের হয়েছে।

এদিকে, সায়নী ঘোষের গ্রেফতারির প্রতিবাদে সোমবার সকালেই ত্রিপুরার উদ্দেশ্যে রওনা দিলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। এদিন তিনি কলকাতা বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে সরাসরি বিপ্লব দেবের সরকারকে আক্রমণ করলেন। ব্রাত্য বসু বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভয় পেয়েছে বিজেপিশাসিত বিপ্লব দেবের সরকার। আজ সকালে বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে ব্রাত্য বসু বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ওরা ভয় পাচ্ছে। অভিষেক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যখনই ত্রিপুরার মাটিতে পা রাখতে যাচ্ছে, তখনই ওখানে বিপ্লব দেবের ঝটিকা বাহিনী আক্রমণ করছে। বিজেপি আক্রমণ করে মারছে তৃণমূলকে, ভুয়ো কেস দিচ্ছে।’

এখানেই শেষ নয়, তিনি আরও বলেন, ‘অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়িতে হামলা-সহ অন্যান্য সব কিছুই এরা করেছে।’ তাঁর সংযোজন, ‘এসব ঘটনার মাধ্যমে এটা পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে ওঁরা ভয় পেয়েছে।’

অন্যদিকে, যুব তৃণমূলের সভানেত্রীর গ্রেফতারির প্রসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন যে, সোমবার তাঁরা থানায় যাবেন এবং প্রয়োজনে কোর্টের দ্বারস্থও হবেন। উল্লেখ্য, রবিবার সায়নী ঘোষ গ্রেফতার হওয়ার পরেই করোনাবিধির কারণ দেখিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদযাত্রার অনুমতি বাতিল করে ত্রিপুরা প্রশাসন। যদিও পরে পদযাত্রার অনুমতি না মিললেও, পথসভার অনুমতি মেলে। এদিকে, এই ঘটনা প্রসঙ্গে, ব্রাত্য বসু বলেন, ‘ওরা পদযাত্রার অনুমতি দিচ্ছে না এটা ভাবা যায় না।’

বাংলার নির্বাচনের কথা মনে করিয়ে দিয়ে, তিনি বলেন, ‘ভোটের আগে বিজেপি প্রায় ডজন খানেক পদযাত্রা করেছেন। শুধু পশ্চিমবঙ্গেই ৫০টা সভা করেছে বিজেপি। এছারাও, মোদী নিজে এসে এখানে সভা করেছে এবং প্রত্যেকটি সভারই অনুমতি দিয়েছিল পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূলের নেতৃত্বাধীন সরকার।’

কিন্তু ত্রিপুরায় বিজেপি সরকারের কাছে সেই সুযোগ না পাওয়াকে তিনি গণতন্ত্রের লজ্জা বলে অভিহিত করেন। অন্যদিকে, রাজনৈতিক নির্দেশেই এই গ্রেফতারি বলে সরাসরি ত্রিপুরার বিপ্লব দেব সরকারের দিকে আঙুল তুলেছেন তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ।