রাত পোহালেই বামেদের ব্রিগেড সমাবেশ, ব্যস্ততা তুঙ্গে উদ্যোক্তাদের

রাত পোহালেই বামেদের ব্রিগেড সমাবেশ, ব্যস্ততা তুঙ্গে উদ্যোক্তাদের
নিজস্ব ছবি

রবিবার বামেদের ব্রিগেড সমাবেশ। এটিকে সর্বাঙ্গসার্থক করে তুলতে শনিবার দিনভর ব্যস্ততা তুঙ্গে ছিল উদ্যোক্তাদের। প্রায় একমাস ধরে নানাভাবে ব্রিগেড সমাবেশ নিয়ে প্রচার চালিয়েছে মূলত বামেরা। সূত্রের খবর, পূর্ব পরিকল্পিত এই ব্রিগেড সমাবেশে আমন্ত্রিতের তালিকায় আগে সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, তেজস্বী যাদবদের নাম থাকলেও শেষ পর্যন্ত তাঁরা কেউই থাকছেন না।

বাম শরিক দল এবং কংগ্রেস নেতাদের পাশাপাশি থাকছেন জোটের নতুন শরিক ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের প্রধান আব্বাস সিদ্দিকী। উনিশের মতো এবারও কি ব্রিগেড মাঠে দেখা যাবে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে? এই প্রশ্নের উত্তর পেতে মুখিয়ে বাম সমর্থকরা। সূত্রের খবর, অসুস্থ বুদ্ধদেব বাবু ঘরবন্দি থাকলেও মন এখন ব্রিগেডেই। চিকিৎসকদের পরামর্শ নিয়ে আসতে চেয়েছিলেন ব্রিগেড সমাবেশে। কিন্তু অনুমতি মেলেনি।

দফায় দফায় নেতৃত্বরা এসে তদারকি করছেন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতির। ইতিমধ্যেই বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু এসে পর্যবেক্ষণ করেছেন ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড। উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, সুরাটের এক বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকের মতো হয়ত অনেক প্রতিকূলতা কাটিয়ে আসবেন ব্রিগেডের সমাবেশে। কল্যাণী থেকে ব্রিগেড সমাবেশে আসছেন আরেক বাম সমর্থক। সঙ্গী তাঁর একটি হুইল চেয়ার। এই দুই বাম সমর্থকই বোধহয় দরিদ্র আমজনতার প্রতিনিধিত্ব করছেন। বামেদের দাবি, এঁদের কাহিনী থেকেই স্পষ্ট, রাজ্য থেকে ভিনরাজ্যে আরও কতশত সমর্থক ব্রিগেডের দিকে চেয়ে রয়েছেন। খোলা মাঠে ধুলো ওড়া লাল নিশানে আঁকছেন দিন বদলের স্বপ্ন। রবিবার বাম-কংগ্রেসের ব্রিগেড সমাবেশের উত্তাপ এভাবেই ছড়িয়ে পড়ছে।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.