আর কিছুক্ষনেই শুরু হবে মোদির ব্রিগেড

আর কিছুক্ষনেই শুরু হবে মোদির ব্রিগেড
file image

আর কিছুক্ষণ পরেই সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। শুরু হতে চলেছে ব্রিগেডের মহা সমাবেশ। আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আসবেন এই ব্রিগেডের মঞ্চে। ফলে এখন শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততা ব্রিগেড জুড়ে। নির্বাচনের আগে এই মঞ্চ থেকেই ভোট যুদ্ধের সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী

গতকাল রাত থেকেই মাঠ চত্বরে রান্নার ব্যবস্থা শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই দুর দুরন্ত থেকে সমর্থকরা আসতে শুরু করেছেন। তাঁদের জন্যও রান্না হচ্ছে কাল থেকেই। তাঁদের থাকার ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

গোটা ময়দান চত্বর ঘিরে ফেলা হয়েছে তিন নেতার কাট আউটে। মোদী, নাড্ডা এবং দিলীপ ঘোষের ছবিতে ছেয়েছে ব্রিগেড চত্বর। গোটা ব্রিগেডকে চক্রাকারে ঘুরে বেড়াচ্ছে  পরিবর্তন যাত্রার একটি মিনি ট্যাবলো। সবমিলিয়ে রাজকীয় আয়োজন বলাই চলে।

যেহেতু প্রধানমন্ত্রী আসছেন তাই নিরাপত্তার বিষয়টি বিশেষ ভাবে জোর দেওয়া হয়েছে। গোটা চত্বরে মোট ১৫০০ সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। পিছনেই রয়েছে মনিটরিং কন্ট্রোল রুম। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার স্বার্থে মাঠ ঘিরে ফেলা হচ্ছে শালখুঁটির বাউন্ডারি দিয়ে। মঞ্চের সামনে পরপর চারটি নিরাপত্তা ব্যারিকেড তৈরি করা হয়েছে যার প্রথমটির দায়িত্বে রয়েছে কলকাতা পুলিস, পরের দুটি এস পি জি এবং শেষেরটি পি এম ও স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপের দায়িত্বে।

ইতিমধ্যেই রাজ্য বিজেপি তিনটি ট্রেন ভাড়া করেছে সমর্থকদের অনার জন্য। মূলত আলিপুরদুয়ার, মালদা এবং উত্তর দিনাজপুরের হরিশচন্দ্র পুর থেকে ট্রেন গুলি আসবে। অন্যদিকে, ভিড়ের কথা চিন্তা করে মাঠের বিভিন্ন প্রান্তে লাগানো হয়েছে জায়েন্ট স্ক্রিন।

মূল মঞ্চটি তৈরি করা হয়েছে ২০০ বাই ১৫০ মিটার মাপের। দু-পাশে ৫০ মিটার জায়গা ছেড়ে ডান ও বাঁ দিকে আলাদা আরও দুটো মঞ্চ করা হয়েছে। একটি মঞ্চে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয়-রাজ্য স্তরের নেতারা। অন্য টিতে আঞ্চলিক নেতারা।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.