রয়েছেন অক্সিজেন সাপোর্টে! তাও হাসপাতাল যেতে নারাজ বুদ্ধবাবু

রয়েছেন অক্সিজেন সাপোর্টে! তাও হাসপাতাল যেতে নারাজ বুদ্ধবাবু
রয়েছেন অক্সিজেন সাপোর্টে! তাও হাসপাতাল যেতে নারাজ বুদ্ধবাবু

এমনিতেই কো-মর্বিডিটি রয়েছে তাঁর। বাড়িতে অন্যান্য সময় থাকতে হয় অক্সিজেন সাপোর্টে। তাই করোনা হওয়ায় রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে চিকিৎসকদের। তাকে হাসপাতালে স্থানান্তরিত করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। কিন্তু হাসপাতালে যেতে নারাজ বুদ্ধবাবু। তাকে কোনোভাবেই হাসপাতালে ভর্তি জন্য রাজি করানো যাচ্ছে না।

গতকাল করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর এখনো পর্যন্ত বাড়িতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। তবে তার স্ত্রীকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। এদিকে বুদ্ধবাবু অক্সিজেনের মাত্রা ৯৫ এর উপরে থাকলেও এদিন দুপুরে হঠাৎ করেই তা ৮৭তে নেমে যায়। এর পরেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন চিকিৎসকরা। যদিও কিছুক্ষণ পরেই তার স্বাভাবিক হয়ে যায়। তাই প্রবীণ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কে নিয়ে কোনোরকম ঝুঁকি নিতে চাইছেন না চিকিৎসকরা। তবে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হবে কিনা তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে আগামীকাল বৃহস্পতিবার।

পরিবার এবং দলের সূত্রে জানানো হয়েছে, বুদ্ধবাবুর শরীর এখনও স্থিতিশীল। কিন্তু তার আনুষঙ্গিক রোগ থাকায় সিপিএম নেতৃত্বের তরফে প্রাণপণ চেষ্টা করা হচ্ছে যাতে বুদ্ধবাবুকে হাসপাতালে ভর্তির জন্য রাজি করানো যায়।এর আগেও বিভিন্ন সময় বুদ্ধবাবুকে হাসপাতালে ভর্তি করার প্রসঙ্গ উঠলেই বারবার নারাজ থেকেছেন বুদ্ধবাবু। তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসকেরাও বারংবার বোঝানোর চেষ্টা করছেন। কিন্তু রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এখনও ঘরে থাকার বিষয়েই অনড়। বেশ কিছুদিন আগে যখন উডল্যান্ড হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি তখনো সাময়িক সুস্থ হয়ে ওঠার পরেই বাড়ি আসার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। রীতিমতো চিকিৎসকদের থেকে জোর করে অনুমতি নিয়ে বাড়ি চলে আসেন তিনি।

অন্যদিকে, মীরাদেবীর অবস্থাও স্থিতিশীল বলেই জানা গিয়েছে। তাঁর জ্বর এবং ব্যথা সামান্য কমেছে। অক্সিজেন সাপোর্ট ছাড়াই তাঁর শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা স্বাভাবিক রয়েছে। স্যালাইনের মাধ্যমে তাঁকে দেওয়া হচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিক, স্টেরয়েড। চিকিৎসক কৌশিক চক্রবর্তী এবং ধ্রুব ভট্টাচার্য মীরা ভট্টাচার্যের চিকিৎসার দায়িত্বে রয়েছেন।