বৃহস্পতিবার, ০৭ জুলাই, ২০২২

যাত্রীদের ভোগান্তি! বন্ধ দিঘা-পুরী যাওয়ার একাধিক ট্রেন, কী কী? রইল তালিকা

মৌসুমী মোদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ৫, ২০২২, ০১:৫১ পিএম | আপডেট: এপ্রিল ৫, ২০২২, ০১:৫৫ পিএম

যাত্রীদের ভোগান্তি! বন্ধ দিঘা-পুরী যাওয়ার একাধিক ট্রেন, কী কী? রইল তালিকা
যাত্রীদের ভোগান্তি! বন্ধ দিঘা-পুরী যাওয়ার একাধিক ট্রেন, কী কী? রইল তালিকা / প্রতীকী ছবি

প্রতিদিন দেশের প্রায় লক্ষাধিক মানুষের কাছে সফরের অন্যতম ভরসা ভারতীয় রেলপথ। অত্যন্ত অল্প খরচে দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে পৌঁছে যাওয়ার ক্ষেত্রে এই রেলপথের বিকল্প নেই। বিশেষ করে দূরভ্রমণের ক্ষেত্রে প্রথম পছন্দ হচ্ছে রেল যাত্রাই। তাই প্রতিনিয়তই দেশের অধিকাংশ মানুষ রেলের মাধ্যমে যাতায়াত বেছে নেন।

এদিকে করোনা আবহে দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল লোকাল বা এক্সপ্রেস সমস্ত ট্রেন চলাচল। এরপর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসায় বর্তমানে ট্রেন চলাচল ফের আগের মতোই স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছে। ফিরিয়ে আনা হয়েছে রেলের একাধিক পরিষেবাও। তবে এর মধ্যে এখনও বেশ কয়েকটি ট্রেন চলাচল বন্ধই রয়েছে। সেগুলি যে কবে রেল ট্র‍্যাকে ফিরবে তা কে জানে! এই তালিকায় রয়েছে দূরপাল্লার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ট্রেন, তেমনই রয়েছে দিঘা-পুরী যাওয়ার একাধিক ট্রেনও। ফলে ভ্রমণপ্রিয় যাত্রীদের ভোগান্তি বাড়ছে।

এবার একনজরে দেখে নেওয়া যাক, কোন কোন ট্রেন এখনও বন্ধ পড়ে রয়েছে-

১/ সমুদ্র কন্যা সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস (08490/08489)। পর্যটকদের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ছিল এই ট্রেন। প্রতি রবিবার দিঘা থেকে পুরীর দিকে রওনা দিত ট্রেনটি। শনিবার আবার পুরী থেকে ফিরে আসত দিঘার দিকে। এই ট্রেনে চেপে বহু পর্যটকই দিঘা থেকে পুরী ভ্রমণে যেতেন। কিন্তু সেই লকডাউনের সময় থেকেই ট্রেনটিকে যে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, আর তা চালু হয়নি।

২/ আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ট্রেন হল, হাওড়া-দিঘা-হাওড়া কান্ডারী এক্সপ্রেস(18001/18002)। এই ট্রেনটিও পর্যটকদের বিশেষ পছন্দের ছিল। এটিও দীর্ঘদিন ধরেই বন্ধ।

৩/ দীঘা-পুরী ছাড়াও দক্ষিণ ভারতে যাওয়ার একটি বিশেষ ট্রেন ছিল হলদিয়া-চেন্নাই সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস। এই ট্রেনে চেপে চিকিৎসার জন্য বহু মানুষ চেন্নাই-ভোলোরে যেতেন। বিশেষ করে পূর্ব মেদিনীপুরের মানুষজনের কাছে বেশ জনপ্রিয় ছিল এই ট্রেন। কিন্তু লকডাউনের সময় থেকে এই ট্রেনের পরিষেবাও বন্ধ। তা যে কবে চালু হবে তা জানা নেই।

কোভিডকালীন সংকটময় পরিস্থিতি কেটে গেলেও কেন এই ট্রেনগুলি এখনও চালু করা হল না তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই মানুষের মনে প্রশ্ন। ট্রেনগুলি না থাকার জন্য সফরের ক্ষেত্রে বেশ ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে জনসাধারণকে। বিশেষ করে সমুদ্র সফরে যাওয়ার জন্য রাজ্যের বিভিন্ন জেলার মানুষকে সেই হাওড়া বা শিয়ালদা এসেই ট্রেনে চাপতে হচ্ছে। এদিকে ট্রেন কম চলায় পর্যটক সংখ্যাও কমছে। ফলে সমস্যার মুখে পড়েছেন দীঘার হোটেল ব্যবসায়ী বা ছোট দোকানদারও।