সামশেরগঞ্জে নির্বাচনী লড়াইয়ে হারলেও, হারিয়ে যায়নি কংগ্রেস! মত অধীরের

সামশেরগঞ্জে নির্বাচনী লড়াইয়ে হারলেও, হারিয়ে যায়নি কংগ্রেস! মত অধীরের
সামশেরগঞ্জে নির্বাচনী লড়াইয়ে হারলেও, হারিয়ে যায়নি কংগ্রেস! মত অধীরের

বংনিউজ ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ ভবানীপুরের পাশাপাশি এদিন জঙ্গিপুর এবং সামশেরগঞ্জেও নির্বাচনে জয়ী হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। জঙ্গিপুর কেন্দ্রে জয়ী হয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী জাকির হোসেন। ৯২ হাজার ৬১৩ ভোটে জয়ী হয়েছেন তিনি। আর সামশেরগঞ্জে জয়ী হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের আমিরুল ইসলাম। তবে, এই কেন্দ্রে লক্ষণীয়ভাবে গত বিধানসভা নির্বাচনের থেকে অনেকটাই বেড়েছে কংগ্রেসের ভোট।

গত বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের ভোট ব্যাঙ্কে একপ্রকার ধস নেমেছিল। এবারের উপনির্বাচনে তা অনেকটাই সামলে নিয়েছে কংগ্রেস। গতবার এই কেন্দ্রে কংগ্রেস-বাম জোট ভোট পেয়েছিল ৪০ হাজারের কিছু বেশি। এদিকে, এবার এই কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী জইনুর ইসলাম প্রথমে ঠিক করেছিলেন তিনি লড়াই করবেন না। পরে তিনি তাঁর মত পরিবর্তন করেন এবং নির্বাচনী প্রচার শুরু করেন। তবে, প্রচারের জন্য বেশি সময় পাননি, দেরিতে মত পরিবর্তনের কারণে। ৫-৬ দিন প্রচার করেছেন। তার মধ্যেই ভোট পেয়েছেন ৭০ হাজারেরও বেশি ভোট।

সামশেরগঞ্জে কংগ্রেসের এই ভোট বাড়ার প্রসঙ্গে প্রদেশ কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী বলেন, ‘এই কেন্দ্রে খুব ভালো লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু যিনি কংগ্রেস প্রার্থী তিনি ময়দানে নামতে দেরি করে ফেলেছিলেন। উনি খুবই সজ্জন মানুষ। মাত্র ৬ দিন উনি প্রচার করেন। ফলে যে আসনটা আরও একটু চেষ্টা করলে জিততে পারতাম সেটায় হারতে হয়েছে। তবে, ভোট আমাদের বেড়েছে। অর্থাৎ ভোটে কংগ্রেস হেরে গেলেও হারিয়ে যায়নি। এরকম পরিস্থিতির মধ্যেও আমরা ভোট বাড়াতে পেরেছি।’

উপনির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস প্রশাসানকে ব্যবহার করেছে বলে অভিযোগ করলেন অধীর চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘প্রশাসন খোলা হাতে, গুন্ডাদের সাহায্য করেছে। ৪৭টি বুথে আমরা কোনও এজেন্ট দিতে পারিনি। সন্ত্রাসের এই বাতাবরণের মধ্যেও সামশেরগঞ্জের মানুষে যেভাবে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন তার জন্য তাঁদের ধন্যবাদ।’ পাশাপাশি এদিন তিনি ছাপ্পা ভোটের অভিযোগও করেছেন।