আলাপন ইস্যুতে বেফাঁস মন্তব্যে বাড়তে পারে জটিলতা! রাজ্য নেতাদের মুখে কুলুপ আঁটার নির্দেশ দিল বিজেপি!

আলাপন ইস্যুতে বেফাঁস মন্তব্যে বাড়তে পারে জটিলতা! রাজ্য নেতাদের মুখে কুলুপ আঁটার নির্দেশ দিল বিজেপি!
আলাপন ইস্যুতে বেফাঁস মন্তব্যে বাড়তে পারে জটিলতা! রাজ্য নেতাদের মুখে কুলুপ আঁটার নির্দেশ দিল বিজেপি!

মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের বদলির নির্দেশ নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজ্য-কেন্দ্রের মধ্যে বেঁধেছে সংঘাত। শোনা যাচ্ছে, আদালত অবধিও গড়াতে পারে এই বিষয়ের জল। তবে তার আগেই বেশ সতর্ক বিজেপি। আলাপন ইস্যুতে মুখ খুললে বাড়তে পারে জটিলতা। তাই বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বের উদ্দেশ্যে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কড়া নির্দেশ, আলাপন ইস্যুতে কোনও মন্তব্যই করতে পারবেন না রাজ্য বিজেপির নেতারা। বিশেষ করে শুভেন্দু অধিকারী এবং দিলীপ ঘোষকে দেওয়া হল এই কড়া বার্তা। অন্তত ৩১ মে পর্যন্ত মুখে কুলুপ আঁটার নির্দেশ দেওয়া হল রাজ্যের বিজেপি নেতাদের।

ইতিমধ্যেই ইয়াস পর্যালোচনায় প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উপস্থিত না থাকায় সৃষ্টি হয়েছে বিতর্কের। মুখ্যমন্ত্রীর এরূপ আচরণের তীব্র সমালোচনা করেছে বিজেপি নেতৃত্ব। সে নিয়ে সাংবাদিক বৈঠকে আবার বিজেপিকেই অভিযোগে বিদ্ধ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। ফলে রাজ্য ও কেন্দ্র দুই তরফেই এখন হাওয়া গরম। এই অবস্থায় আলাপন ইস্যুতে কোনও বেফাঁস কিছু মন্তব্য করলে তা নিয়ে বাড়তে পারে অস্বস্তি। সেই মন্তব্যকে হাতিয়ার করে পালটা প্রচারও করতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই সে বিষয়ে রাজ্য নেতাদের মুখ বন্ধ রাখারই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে বিজেপি সূত্রে খবর।

ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের তরফে চিঠি দিয়ে রাজ্য নেতৃত্বকে সতর্ক করা হয়েছে। অন্তত ৩১ মে, যেদিন আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের নর্থ ব্লকে কাজে যোগ দেওয়ার কথা; সেদিন পর্যন্ত কোনও মন্তব্য করতে পারবেন না রাজ্যের নেতারা। এর আগে কেন্দ্র-রাজ্য বা রাজ্য-রাজ্যপাল দ্বন্দে একাধিকবার মুখ খুলেছেন রাজ্য বিজেপি নেতারা। তা নিয়ে জটিলতাও বেড়েছে। তাই এবার বেশি সতর্ক কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।

উল্লেখ্য, এই বদলিকে কেন্দ্র করে বিজেপির সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিকতম সংঘাত ফের নতুন মোড় পেল বলেই মনে করছেন ওয়াকিবহালের একাংশ। তবে জল্পনা চলছে, মুখ্যসচিব হয়তো দিল্লি যাবেন না। সোমবার নবান্নের নির্ধারিত কর্মসূচীতেই যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। অন্যদিকে, আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের বদলি বিতর্কে দ্বিমত হলে রাজ্য বা কেন্দ্র কিংবা সংশ্লিষ্ট আধিকারিক সেন্ট্রাল অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইবুনালের দ্বারস্থ হতে পারে বলেও জানা গিয়েছে।