পুজো মিটতেই ভোটের বাদ্যি! গোসাবায় এলো কেন্দ্রীয় বাহিনী

পুজো মিটতেই ভোটের বাদ্যি! গোসাবায় এলো কেন্দ্রীয় বাহিনী
পুজো মিটতেই ভোটের বাদ্যি! গোসাবায় এলো কেন্দ্রীয় বাহিনী

নির্বাচন কমিশন আগেই জানিয়েছিল পুজো মিটলেই ৩০ অক্টোবর রাজ্যের বাকি চার কেন্দ্রে হবে উপ নির্বাচন। তাই পুজোর শেষ হতেই গোসাবা বিধানসভা কেন্দ্রে শুরু হয়ে গেল ভোট প্রস্তুতি। ইতিমধ্যেই এই কেন্দ্রে ৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পৌঁছেছে। নির্বাচন চলাকালীন বা তার আগে পরে যাতে কোনও রকম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয় সেই কারণে আগাম সতর্কতা জারি করা হয়েছে কমিশনের তরফে।

কোচবিহারের দিনহাটা, নদিয়ার শান্তিপুর, উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহ এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোসাবায় ভোট রয়েছে চলতি মাসের ৩০ তারিখ। চার কেন্দ্রের মধ্যে বেশিরভাগই স্পর্শকাতর৷ তাই এই উপনির্বাচন নিয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে কমিশন৷ গোসাবার পর বাকি কেন্দ্র গুলিতেও এবার কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হবে।

জানা গিয়েছে, গোসাবায় যে ৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হয়েছে তার মধ্যে গদ খালি ও চুনাখালী এলাকায় রাখা হয়েছে ২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী৷ ৩ কোম্পানি বাহিনী রাখা হয়েছে গোসাবা রাঙাবেলিয়া এলাকায়৷ বাকি ২ কোম্পানি মোতায়েন করা হয়েছে সুন্দরবন কোস্টাল থানা এলাকার জন্য।

গোসাবায় বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন তৃণমূলের প্রার্থী জয়ন্ত নস্কর৷ কিন্তু নির্বাচনে তারপর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি৷ পরে মৃত্যু হয় তাঁর৷ যার ফলে ফের উপনির্বাচন করতে হচ্ছে গোসাবায়৷ এবার গোসাবা থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন সেখানকার ব্লক তৃণমূল সভাপতি তথা বালি-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সুব্রত মণ্ডল। ইতিমধ্যেই প্রচার শুরু করেছেন তিনি।

অন্যদিকে,বিজেপির হয়ে এই কেন্দ্র থেকে লড়াই করবেন পলাশ রানা। ২০১৯-এর লোকসভা ভোটের পরে যিনি তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি-তে যোগ দিয়েছিলেন।রায়দিঘির বাসিন্দা এই নেতাকে প্রার্থী করায় স্থানীয় বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের একাংশের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে সে বিষয়ে গুরুত্ব দিতে নারাজ জেলা বিজেপি নেতৃত্ব।