দুই দলে ভাগ হয়ে আজ ইয়াসের ক্ষতি খতিয়ে দেখবে কেন্দ্রীয় দল

দুই দলে ভাগ হয়ে আজ ইয়াসের ক্ষতি খতিয়ে দেখবে কেন্দ্রীয় দল
দুই দলে ভাগ হয়ে আজ ইয়াসের ক্ষতি খতিয়ে দেখবে কেন্দ্রীয় দল

কেন্দ্র রাজ্যের তরজায় এখন নতুন নাম ইয়াস। রাজ্যের দেওয়া ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খতিয়ে দেখতে রাজ্যে এসছে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। রবিবার রাত ৮.২০ মিনিট নাগাদ দমদম বিমানবন্দরে পৌঁছায় কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদল। আজ থেকে ঘূর্ণিঝড় বিধ্বস্ত এলাকাগুলি ঘুরে দেখবেন তাঁরা। বৈঠক করবেন জেলা ও রাজ্য প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে।

রবিবার রাতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব এসকে শাহির নেতৃত্বে ৭ সদস্যের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদল দমদম বিমানবন্দরে পৌঁছয়। এই কেন্দ্রীয় দল তিন দিনের সফরে রাজ্যে এসেছে। আজ তাঁদের ২টি দলে ভাগ হয়ে শুধু দক্ষিণ ২৪ পরগনা ঘূর্ণিঝড় প্রভাবিত এলাকা ঘুরে দেখার কথা। প্রথম দলটি সকাল সড়কপথে ডুমুরজলা হেলিপ্যাডে পৌঁছবে দল। ১০.৪৫ মিনিট- হেলিকপ্টারে একটি দল রওনা দেবে পাথরপ্রতিমার উদ্দেশে।এরপর পাথরপ্রতিমায় পৌঁছবে দলটি। ইয়াস বিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শন করবেন।সেখান থেকে হেলিকপ্টারে গোসাবার উদ্দেশে রওনা দেবে দলটি।শেষে গোসাবায় পৌঁছবে প্রতিনিধি দল।দুপুর ২.৩০-৩ টের মধ্যে আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি।ক্ষয়ক্ষতির চিত্র কেন্দ্রীয় আধিকারিকদের সামনে তুলে ধরবেন স্থানীয় আধিকারিকরা।

অন্যদিকে আর একটি দল, পূর্ব মেদিনীপুরের ক্ষয় ক্ষতি পর্যবেক্ষণ করার কথা থাকলেও সেই সূচী বদল হয়েছে। সূত্রের খবর , এই প্রতিনিধি দলের সদস্যরা সড়কপথে পরিদর্শন করবেন। কলকাতা থেকে রওনা দেবে দ্বিতীয় প্রতিনিধি দলটি। এরপর প্রথমে গদখালি পৌঁছবে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।তারপর সকাল ১২.৪০ মিনিট- লঞ্চে কিংবা বোটে গোসাবা পৌঁছবেন তাঁরা। এরপর দুপুর ১.৩০-২.১০ পর্যন্ত বৈঠক রয়েছে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে।

গত ২৬ মে ওড়িশা উপকূলে আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় ইয়াস। তার জেরে পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার ২৫টি ব্লকে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। পূর্ব মেদিনীপুরে সৈকতের কাছাকাছি একাধিক অস্থায়ী কাঠামো যেমন ভেঙে পড়েছে তেমনই দক্ষিণ ২৪ পরগনায় জলোচ্ছ্বাসে ভেঙেছে বহু বাঁধ। যার ফলে নোনা জলে প্লাবিত হয়েছে বসতি। ইতিমধ্যে ক্ষয়ক্ষতির খতিয়ান তুলে ধরে কেন্দ্রের কাছে ২০,০০০ কোটি টাকা দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই জায়গা থেকে এই পরিদর্শন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই টিম গোটা পরিস্থিতি পরিদর্শন করে যে রিপোর্ট কেন্দ্রে জমা দেবে, তার ওপরেই নির্ভর করছে, কতটা অর্থ বরাদ্দ করা হবে।