বিজেপির পরিবর্তন যাত্রাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র কাঁচরাপাড়া

বিজেপির পরিবর্তন যাত্রাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র কাঁচরাপাড়া
বিজেপির পরিবর্তন যাত্রাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র কাঁচরাপাড়া

বিজেপির পরিবর্তন যাত্রাকে কেন্দ্র করে বুধবার রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় কাঁচরাপাড়া। বুধবার দুপুরে বিজেপির নবদ্বীপ জোনের পরিবর্তন যাত্রা যাচ্ছিল কাঁচরাপাড়া দিয়ে। শেষ হওয়ার কথা বারাকপুরে। অভিযোগ, রথযাত্রা আটকাতে কাপামোড় এলাকায় ব্যারিকেড করে দেয় পুলিশ।রথযাত্রায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে। কাপামোড় এলাকায় ব্যারিকেড ভেঙে এগোনোর চেষ্টা করেন বিজেপি কর্মীরা। এরপরই ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়ে দু’পক্ষ।

এরপরই শুরু অশান্তি। কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এলাকা। পরিস্থিতি আয়ত্তে আনতে দফায় দফায় বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন পুলিশ আধিকারিকরা। বাধা ভেঙে এগোনোর চেষ্টা চালিয়ে যান ক্ষুব্ধ কর্মীরা। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) কৈলাশ বিজয়বর্গীয়, দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক রথীন্দ্র বসু, বীজপুর ও নোয়াপাড়ার দুই বিধায়ক শুভ্রাংশু রায় ও সুনীল সিং,
ভাটপাড়ার বিধায়ক পবন সিং, দলের রাজ্য মুখপাত্র দেবজিৎ সরকারের নেতৃত্বে নানা রকম ধ্বণি দিতে থাকেন। পথ অবরোধ করেন।

পুলিশের এদিনের আচরণের তীব্র নিন্দা করেন বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং-সহ দলের অন্যান্য নেতারা। পরিবর্তন যাত্রায় ‘বাধা’ প্রসঙ্গে অর্জুন সিং বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যের নির্দেশে অন্যায় করছে পুলিশ। দিদিমণি আসলে ভয় পেয়েছে। সেই কারণে বারবার পরিবর্তন যাত্রায় বাধা হয়ে দাঁডাচ্ছেন।” পুলিশ সূত্রে খবর, রথযাত্রার পথ পরিবর্তন করতে বলা হয়েছিল। তা নিয়েই ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়।

উল্লেখ্য, গত শনিবার বিকেলে মিনাখাঁ-বাসন্তী হাইওয়েতে বিজেপির রথযাত্রা আটকানোর অভিযোগ ওঠে তৃণমূলে বিরুদ্ধে। চলে বোমাবাজি। ট্যাবলোয় ভাঙচুর করা হয়। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। পালটা এলাকার তৃণমূল পার্টি অফিসেও হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় বিশাল পুলিশবাহিনী, র‍্যাফ, কমব্যাট ফোর্স পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। জখম হন দু’পক্ষের বেশ কয়েকজন।

প্রসঙ্গত, একুশের নির্বাচনের আগে রাজ্যের প্রতিটি জায়গায় নিজেদের বার্তা পৌঁছে দিতে পরিবর্তন যাত্রা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে গেরুয়া শিবির। মোট ৫ টি জায়গা থেকে সূচনা করা হয়েছে রথযাত্রার।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.