উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের নতুন সভাপতি পদের দায়িত্ব নিলেন চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য!

উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের নতুন সভাপতি পদের দায়িত্ব নিলেন চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য!
উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের নতুন সভাপতি পদের দায়িত্ব নিলেন চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য!

উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের নতুন সভাপতি পদের দায়িত্ব নিলেন চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য। আজ, সোমবার বিদ্যাসাগর ভবনে তাঁর হাতে দায়িত্বভার তুলে দিলেন প্রাক্তন সাংসদ সভাপতি মহুয়া দাস। চিরঞ্জীববাবু এতদিন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ উপাচার্য পদে নিযুক্ত ছিলেন। এবার উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের নয়া সভাপতির দায়িত্ব পালনের পাশাপাশিই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ উপাচার্যের পদও একইসঙ্গে সামলাতে দেখা যাবে তাঁকে।

গত ১৩ আগস্ট উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের প্রাক্তন সভাপতি মহুয়া দাসকে ওই পদ থেকে অপসারিত করে রাজ্য শিক্ষা দপ্তর। চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিকের ফল ঘোষণার সময় এক বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে সভাপতির দায়িত্ব হারান তিনি। এরপরই সেই দায়িত্বভার তুলে দেওয়া হয় চিরঞ্জীব ভট্টাচার্যের হাতে। আগামী ৪ বছরের জন্য সেই পদেই থাকবেন চিরঞ্জীববাবু।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিকের ফল ঘোষণার সময় সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়া রুমানা সুলতানার নাম উল্লেখের সময় অযথা তাঁর ধর্ম টেনে তাঁকে ‘মুসলিম কন্যা’ হিসাবে পরিচয় দেন প্রাক্তন সভাপতি মহুয়া দাস। উচ্চ মাধ্যমিকে ৫০০’র মধ্যে সর্বোচ্চ ৪৯৯ নম্বর পান রুমানা। এরপরই তা ঘোষণা করার সময় মহুয়া দাসের মুখ থেকে শোনা যায়, “সর্বোচ্চ নম্বর ৪৯৯। এই নম্বর একজনই পেয়েছে। মুর্শিদাবাদের এক মুসলিম কন্যা সর্বোচ্চ ৪৯৯ নম্বর পেয়েছে।” এরপর থেকেই রুমানাকে মুসলিম বলে তাঁর ধর্মীয় পরিচয় টেনে আনার জন্য তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন মহুয়া। তাঁকে সভাপতির পদ থেকে সরানোর দাবীও ওঠে।

যদিও পরে মহুয়া স্বীকার করে নেন যে, পরীক্ষার্থীর ধর্ম তুলে পরিচয় দেওয়ার কোনও অভিপ্রায়ই তাঁর ছিল না। সম্পূর্ণ আবেগের বশে তিনি মুসলিম শব্দটি বলে ফেলেন। কিন্তু তাতে চিঁড়ে ভেজেনি। জানা গিয়েছে, এহেন বিতর্কিত মন্তব্যের দরুনই সম্প্রতি উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় মহুয়া দাসকে। সোমবার তাঁর সেই পদের দায়িত্ব নিলেন চিরঞ্জীববাবু।