নন্দীগ্রামের ভোট পুনর্গণনা করা হোক! আদালতে মামলা দায়ের মমতার

নন্দীগ্রামের ভোট পুনর্গণনা করা হোক! আদালতে মামলা দায়ের মমতার
নন্দীগ্রামের ভোট পুনর্গণনা করা হোক! আদালতে মামলা দায়ের মমতার

একুশে নির্বাচনে নন্দীগ্রাম ছিল হটস্পট। নির্বাচনের ফল ঘোষণাতেও তার অন্যথা হয়নি। দিনশেষে ফল ঘোষণার ক্ষেত্রেও দেখা গিয়েছে এই কেন্দ্রে টুইস্ট। প্রথমদিকে কেন্দ্র থেকে তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জয়ী হয়েছেন জানালেও পরে পাশা উল্টে যায়। জানা যায় সেখান থেকে বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। এই নিয়ে জলঘোলা হয় প্রচুর। পরেই এবার নন্দীগ্রামের ফলাফল নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামীকাল সেই মামলার শুনানি।

বারবার নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট পুনর্গণনার দাবি জানিয়েছিল তৃণমূল। তাদের প্রশ্ন ছিল একবার কাউকে জয়ী বলে ঘোষণা করে দেওয়ার পরেও কিভাবে ফলাফল বদলে যেতে পারে তা নিয়ে। এরপরেই সূত্রের খবর কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চে এ মামলা দায়ের করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী ওই কেন্দ্রের ফল পুনর্গণনার দাবি জানিয়েছেন।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

মে মাসের ২ তারিখে এবার বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশ হয়। সেদিন প্রথম দিকে ঘোষণা করা হয় ১২০০ ভোটে জিতেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু এর কিছুক্ষন পরেই জানানো হয় ১৯০০-র কিছু বেশি ব্যবাধানে ভোটে জয়লাভ করেছেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। এরপর এই গোটা বিষয়টি নিয়ে কারচুপির অভিযোগ তোলে তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তখনই হুঁশিয়ারি দেন তিনি এই বিষয়টি নিয়ে আদালতে যাবেন। এবার সেই মতই আদালতে মামলা দায়ের করলেন তিনি।

শুভেন্দু অধিকারী

অন্যদিকে যে প্রশ্নগুলো বারবার উঠছে তা হল, কোন প্রার্থীকে একবার জয়ী ঘোষণা করে দেওয়ার পরেও কিভাবে অন্য প্রার্থীকে জয়ী ঘোষণা করা যায়? এছাড়াও পোস্টাল ব্যালটে যদি গণনা করা হয়, তাহলেও সে ক্ষেত্রে ৮০০ ভোটে জয়ী হওয়ার কথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কারণ সেখানে পোস্টাল ব্যালটের সংখ্যা ৪০০। পাশাপাশি আরও একটি বিষয় যেটা সবথেকে বেশি ভাবাচ্ছে তা হল, গণনার সময় কেন্দ্রে আচমকাই দুঘণ্টার জন্য সার্ভার চলে গিয়েছিল। ফলাফল আপডেট হচ্ছিল না। আর সার্ভার আসার পরেই ঘোষণা করা হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন বরং বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী জয়ী হয়েছেন নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকে।