সভায় মেজাজ হারিয়ে প্রশ্নের মুখে মমতা

সভায় মেজাজ হারিয়ে প্রশ্নের মুখে মমতা
image source: facebook
ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে প্রধানমন্ত্রীর সামনে মেজাজ হারিয়ে গোটা দেশে খবর হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গতকাল বৃহস্পতিবার ফের সভায় মেজাজ হারিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়লেন তিনি।

গীতাঞ্জলি স্টেডিয়ামে তফসিলি জাতি-উপজাতি সম্মেলনের মঞ্চে উঠেই মেজাজ হারান মুখ্যমন্ত্রী। নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৫-তম জন্মদিবসে মুখ্যমন্ত্রীর মেজাজ হারানোর বিষয়টি দলেরই অনেকে ভালভাবে নেননি। যদিও তাঁরা নেত্রীর সামনে তাঁর আচরণকে যথার্থ বলে মন ভেজানোর চেষ্টা করেছেন। এ দিন কিন্তু মমতা মাথা গরম করে চেঁচাতে শুরু করতেই মন্ত্রী তথা তৃণমূলনেত্রীর স্নেহধন্য ইন্দ্রনীল সেন মঞ্চে নিজের আসন থেকে উঠে মমতাকে শান্ত হওয়ার আবেদন করেন। তাতে অবশ্য লাভ হয়নি।

কী হয়েছিল এদিন? মমতা মন্তব্য রাখার আগেই দর্শকাসন থেকে উড়ে আসে নানা দাবি-দাওয়া। আর তাতেই ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। বিজেপি-সিপিএমের কথা শুনে অকারণ এই ধরনের আচরণ করছে অনেকে বলেই মন্তব্য করেন মমতা। উত্তেজিত হয়ে তিনি বলেন, প্রতিদিন আমার সভায় এরকম ৩-৪ জন করে ঢুকে সমস্যা তৈরির চেষ্টা করছে।

দর্শকাসন থেকে ভেসে আসা নানা দাবি-দাওয়া শোনার পরই মুখ্যমন্ত্রী বলে দেন, “আর ৪-৫ দিন পরই ভোটের দিন ঘোষণা হবে। এখন এত চাইলে হবে না। কয়েকটা বিজেপি আর কয়েকটা সিপিএম লোকের কথা শুনে এরকম করে কোনও লাভ নেই। ভোটের আগে ব্ল্যাকমেল করবেন না।” এ রকম করলে কিছু বলবেন না বলে রেগেমেগে মুখ্যমন্ত্রী মাইক থেকে পিছনে সরে যান। তাঁর রণং দেহি মূর্তি দেখে নিরাপত্তাকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকরা সভার আবেদনকারীদের চুপ করিয়ে দেন।

এর পরই মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, “কী দেওয়া হয়নি বলুন তো? সবুজসাথী, কন্যাশ্রী, স্বাস্থ্যসাথী, বিনামূল্যে রেশন থেকে সব সুবিধাই পাচ্ছে রাজ্যবাসী। মানুষের জন্য করতে পারলে খুশিই হই। এরপরও ভোটের আগে এতকিছু চাওয়া হচ্ছে। এতেও যদি আমাকে পছন্দ না হয়, তাহলে আমায় ভোট দেবেন না। বাকিদের ভোটেই আমাদের সরকার তৈরি হয়ে যাবে”।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.