চলতি মাসের ২২ তারিখ, হুগলিতে মোদীর সভার একদিনের ব্যবধানেই পাল্টা সভা মুখ্যমন্ত্রীর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

চলতি মাসের ২২ তারিখ, হুগলিতে মোদীর সভার একদিনের ব্যবধানেই পাল্টা সভা মুখ্যমন্ত্রীর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের
চলতি মাসের ২২ তারিখ, হুগলিতে মোদীর সভার একদিনের ব্যবধানেই পাল্টা সভা মুখ্যমন্ত্রীর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের / ছবি সৌজন্যে- Posted on Facebook By @MamataBanerjeeOfficial

বংনিউজ২৪x৭ডিজিটাল ডেস্কঃ সামনেই বাংলায় রয়েছে বিধানসভা নির্বাচন। আর এবারের নির্বাচনে বিজেপির লক্ষ্য বাংলায় বিজেপির শাসনক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করা। তাই ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের প্রথমসারির নেতৃত্বরা বাংলায় একের পর এক সভা করে চলেছেন। সঙ্গে নানা কর্মসূচি এবং রথযাত্রা তো রয়েইছে। এই রথযাত্রার আবার নাম দেওয়া হয়েছে পরিবর্তনের রথযাত্রা। এর মধ্যে বেশ কয়েকবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা রাজনৈতিক সভা করে গিয়েছেন। কয়েক জায়গায় রথযাত্রার সূচনা করে গিয়েছেন।

এদিকে হলদিয়ার পর, এবার হুগলিতে সভা করতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে যে, চলতি মাসের ২২ তারিখ, সোমবার হুগলির সদর শহর চুঁচুড়ায় জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রাজনৈতিক সভার পাশাপাশি সেদিন কিছু সরকারি অনুষ্ঠানেও উপস্থিত থাকতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। যেমন, এর মধ্যে রয়েছে দক্ষিণেশ্বর পর্যন্ত মেট্রো রেলের সম্প্রসারণ প্রকল্পের উদ্বোধন, কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রকেরও একটি অনুষ্ঠান রয়েছে। উল্লেখ্য, এখনও পর্যন্ত ভোটের দিন-তারিখ কিছুই নির্ধারিত হয়নি, প্রধানমন্ত্রী যদি সেদিন সরকারি কোনও প্রকল্পের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকেন, তাহলে সেক্ষেত্রে বিভিন্ন মহল থেকে মনে করা হচ্ছে, এরই মাঝে ভোটের দিন ঘোষণা হবে না।

এদিকে সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রী চুঁচুড়ার যে মাঠে জনসভা করবেন, ঠিক সেই মাঠেই মাঝে একদিন বাদ দিয়ে, ২৪ ফেব্রুয়ারি পাল্টা সভা করবেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটা একপ্রকার চ্যালেঞ্জ। জবাবের উত্তর পাল্টা জবাব। তার মানে, প্রধানমন্ত্রী এখানে জনসভায় যা বলবেন, তার পাল্টা উত্তর দিতে সভা করবেন মুখ্যমন্ত্রী। সঙ্গে চ্যালেঞ্জও জানাবেন।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, হুগলিতে এখনও পর্যন্ত নিজেদের অস্তিত্ব শক্ত করে উঠতে পারেনি বিজেপি। ১৮ টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৬ টিই রাজ্যের শাসকদলের দখলে রয়েছে। আর অন্য দুটির মধ্যে একটি কংগ্রেসের এবং অপরটি সিপিএমের দখলে। তবে বিজেপিও হাল ছাড়ার পাত্র নয়। বিজেপিও মরিয়া চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, হুগলির দখল নেওয়ার জন্য। সব মিলিয়ে এই মুহূর্তে নির্বাচনের আগে তেঁতে উঠেছে হুগলির মাটি।