চোখ রাঙাচ্ছে করোনা! প্রতিদিন সংক্রমণের নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হচ্ছে! দেশে একদিনে আক্রান্ত ২ লক্ষ ৩৪ হাজারের বেশি

চোখ রাঙাচ্ছে করোনা! প্রতিদিন সংক্রমণের নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হচ্ছে! দেশে একদিনে আক্রান্ত ২ লক্ষ ৩৪ হাজারের বেশি
চোখ রাঙাচ্ছে করোনা! প্রতিদিন সংক্রমণের নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হচ্ছে! দেশে একদিনে আক্রান্ত ২ লক্ষ ৩৪ হাজারের বেশি / প্রতীকী ছবি

বংনিউজ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ প্রতিদিন ভয়ঙ্কর দুঃস্বপ্নের মতো তাড়া করে বেড়াচ্ছে মারণ করোনা। এই মুহূর্তে দেশজুড়ে যা করোনা পরিস্থিতি, তাতে ভয়ঙ্কর, উদ্বেগজনক ইত্যাদি কোনও বিশেষণই যথেষ্ট নয়।

প্রতিদিন নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করছে মারণ করোনা। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৩৪ হাজার ৬৯২ জন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে একদিনে মৃত্যু হয়েছে ১৩৪১ জনের। সুস্থতার হারও তুলনামুলকভাবে কম। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যাও। এই সময়ে দেশে করোনা অ্যাকটিভ ১৬ লক্ষ ৭৯ হাজার ৭৪০ জন।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে রূপ পরিবর্তন করে, আরও ভয়ানক চেহারা নিয়েছে মারণ করোনা। সর্বকালীন রেকর্ড গড়ছে দৈনিক সংক্রমণ। প্রতিদিন দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা নতুন নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করছে। গত বছর যখন করোনা সংক্রমণ সবথেকে বেশি ছিল। তখনও এই এত সংখ্যায় সংক্রমণ হয়নি। দেশের করোনা পরিস্থিতি এতোটাই ভয়াবহ যে, আমেরিকাকেও সেই ভয়াবহতা ছাপিয়ে যাচ্ছে। অথচ গত বছর এই পরিস্থিতি হয়নি। আর এই বছরে শুধুমাত্র করোনা নিয়ে মানুষের গা-ছাড়া মনোভাব, উদাসীনতা, করোনাবিধি না মানা এবং করোনা নিয়ে ভ্রান্ত ধারণা পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপ করে তুলেছে। প্রায় ভেঙে পড়েছে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা।

স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পরিসংখ্যান বলছে, এই মুহূ্র্তে দেশে করোনার ছোবলে মৃত্যুর সংখ্যা ১ লক্ষ ৭৫ হাজার ৬৪৯। ইতিমধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ২৬ লক্ষ ৭১ হাজার ২২০ জনের। চলতি বছরের প্রথমদিকেই শুরু হয়ে গিয়েছে গণটিকাকরণ। কোভ্যাক্সিন এবং কোভিশিল্ড এই দুই ভ্যাকসিনের মাধ্যমে চলছে টিকাকরণ। ভ্যাকসিন হয়ে গিয়েছে ১১ কোটি ৯৯ লক্ষ ৩৭ হাজার ৬৪১ জনের। জরুরি ভিত্তিতে ছাড় দেওয়া হয়েছে রুশ ভ্যাকসিন স্পুটনিক ভি-কেও।

এই পরিস্থিতিতে সংক্রমণ রুখতে, ‘প্রতীকী কুম্ভমেলা’ পালনের আর্জি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। উল্লেখ্য, সেখানেও করোনার থাবা। দুই সন্ন্যাসীর মৃত্যু হয়েছে। আখড়া ছেড়ে চলে যাচ্ছেন অনেকেই। সেই জন্যই শনিবার নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘দুটো শাহী স্নান হয়ে গিয়েছে। এবার আমার অনুরোধ, করোনা মহামারীর কথা বিবেচনা করে প্রতীকী কুম্ভমেলা পালন করা হোক। এর ফলে এই সংকটের মুহূর্তে লড়াই করার শক্তি পাওয়া যাবে।’ তিনি আরও লেখেন যে, ‘আচার্য মহামণ্ডলেশ্বর পূজ্য স্বামী অবধেশানন্দ গিরিজির সঙ্গে আজ ফোনে কথা বলেছি। সমস্ত সন্তদের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিয়েছি। প্রশাসনের সঙ্গে সন্ন্যাসীরা সহযোগিতা করছেন। আমি তার জন্য তাঁদের ধন্যবাদ জানিয়েছি।’