দেবাঞ্জন দেবের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টায় মামলা দায়ের করার আবেদনে সীলমোহর আদালতের

দেবাঞ্জন দেবের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টায় মামলা দায়ের করার আবেদনে সীলমোহর আদালতের
দেবাঞ্জন দেবের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টায় মামলা দায়ের করার আবেদনে সীলমোহর আদালতের

দেবাঞ্জন দেবের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার মামলা দায়ের করার অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। অন্যদিকে ভ্যাকসিন কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত দেবাঞ্জন এর যে তিন সাগরেদকে গ্রেফতার করা হয়েছিল তাদেরকেও আগামী সাত দিন পুলিশি হেফাজতে থাকার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

লালবাজারের তরফে যে ১০ সদস্যের সিট গঠন করা হয়েছে তারা কলকাতা হাইকোর্টের কাছে আবেদন জানিয়েছিল দেবাঞ্জন এর বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃত খুনের চেষ্টায় মামলা দায়ের করার। এদিন সেই আবেদন এই সীলমোহর দিল কলকাতা হাইকোর্ট। প্রসঙ্গত, পুলিশ কমিশনারকে দেবাঞ্জনের বিরুদ্ধে অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা দায়ের করার নির্দেশ দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই কলকাতার নগরপালের সঙ্গে আলোচনা করেছেন তিনি। এছাড়াও নির্দেশকে জানিয়েছেন দেবাঞ্জন কে যাতে কোনোভাবেই ছাড়া না হয়। তার দৃষ্টান্তমূলক কঠোর শাস্তির কথা জানিয়েছেন সৌমেন মিত্র কে।

একইসঙ্গে, ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডে ধৃত দেবাঞ্জনের তিন সাগরেদকে ৭দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। এই তিনজন অর্থাৎ সুশান্ত দাস, রবীন শিকদার ও শান্তনু মান্না কে ২ জুলাই পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা উচ্চ আদালত।

কসবার ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডে দেবাঞ্জন দেবে তিন সাগরেদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার তাদের আলিপুর আদালতে তোলা হয়। পুলিশ সূত্রে খবর ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডে দেবাঞ্জন ছাড়াও আরো তিন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশ। এদের মধ্যে শান্তনু মান্না তালতলা এলাকার বাসিন্দা। এছাড়া বাকি দুজন সুশান্ত দাস এবং রবিন শিকদার। সুশান্ত দাস সল্টলেক সেক্টর টুর বাসিন্দা, অন্যদিকে ৩১ বছর বয়সী রবিন শিকদার থাকেন বারাসাতে। এদেরকে আজ আলিপুর আদালতে তোলা হলে ২ জুলাই পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়।

পুলিশ সূত্রে আরো খবর, এই তিন অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবের সঙ্গে পুরো ঘটনায় জড়িত ছিল। তবে এদের তিনজনের মূল ভূমিকা কি ছিল তা ইতিমধ্যে খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। তবে জানা গিয়েছে রবিন শিকদার এবং সুশান্ত দাস এর নাম ভাঁড়িয়ে কলকাতা পুরসভার একাউন্ট সামলাতো দেবাঞ্জন। সব জায়গায় সই করতে নেই দুজনেই। অন্যদিকে সান্তনু নিজেকে দেবাঞ্জনের ম্যানেজার বলে পরিচয় দিত।

ইতিমধ্যে জানা গিয়েছে, এই টিকা কাণ্ডে ক্যাম্প করার জন্য তেরো জনের টিম ছিল দেবাঞ্জন এর। এই ধৃত তিন ব্যক্তিকে দিয়েই বিভিন্ন ক্যাম্পে টিকাকরণের কাজ চালাতে পারেন। এদিকে ইতিমধ্যেই ১৩জনের মধ্যে ১১জনকে চিহ্নিত করেছে তদন্তকারী দল তাদের সঙ্গে কথাবার্তা শুরু হয়েছে। দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে তাদের।