ভ্যাকসিনের আকালের মধ্যেই নষ্ট হয়েছে এই পরিমাণ টিকার ডোজ! অপচয়ের শীর্ষে তামিলনাড়ু

ভ্যাকসিনের আকালের মধ্যেই নষ্ট হয়েছে এই পরিমাণ টিকার ডোজ! অপচয়ের শীর্ষে তামিলনাড়ু / প্রতীকী ছবি
ভ্যাকসিনের আকালের মধ্যেই নষ্ট হয়েছে এই পরিমাণ টিকার ডোজ! অপচয়ের শীর্ষে তামিলনাড়ু / প্রতীকী ছবি

দেশের ক্রমবর্ধমান করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে টিকাকরণের ওপরই জোর দিয়েছে বর্তমান সরকার। এতদিন সম্প্রতি ৪৫ বা তার ঊর্ধ্ব বয়সের ব্যক্তিদের টিকা দেওয়া হলেও সম্প্রতি ঘোষিত হয়েছে, ১ মে থেকে ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে টিকাকরণ সকলের শুরু হবে। এর মধ্যেই ভ্যাকসিনের আকালও দেখা দিয়েছে। চাহিদার তুলনায় পরিমাণ মতো ভ্যাকসিন মিলছে না। এদিকে দেখা যাচ্ছে, সংরক্ষণের অভাবে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে নষ্ট হচ্ছে করোনা ভ্যাকসিন।

গত ১১ এপ্রিল পর্যন্ত কেন্দ্রের তরফে দেশের রাজ্যগুলিকে ১০ কোটি ভ্যাকসিনের ডোজ পাঠানো হয়েছে৷ তার মধ্যে ৪৪ লক্ষ ডোজই নষ্ট হয়ে গিয়েছে৷ সারা দেশের টিকাকরণ প্রকল্পে ব্যবহৃত মোট টিকার অন্তত ২৩ শতাংশই নষ্ট হয়েছে। এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে তামিলনাড়ু (১২.১০ শতাংশ)। তামিলনাড়ুর পর হরিয়ানা (৯.৭৪ শতাংশ), পঞ্জাব (৮.১২ শতাংশ), মণিপুর (৭.৮ শতাংশ) এবং তেলেঙ্গানায় (৭.৫৫ শতাংশ) ভ্যাকসিন নষ্ট হয়েছে৷

তবে বাংলার জন্য সুখবর! যে সব রাজ্যে অপচয় অনেক কম তাদের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। এরপর রয়েছে কেরল, হিমাচল প্রদেশ, মিজোরাম, গোয়া, আন্দামান এবং নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, দামান এবং দিউ, লাক্ষাদ্বীপ। অন্যদিকে, মহারাষ্ট্রের বিরুদ্ধেও ভ্যাকসিন নষ্টের অভিযোগ উঠেছে। মহারাষ্ট্র, পাঞ্জাব, দিল্লির মতো রাজ্যগুলি ভ্যাকসিনের আকাল নিয়ে সরবও হয়ে উঠেছে। এই রাজ্যগুলির তরফ থেকে অভিযোগ, জনসংখ্যার অনুপাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে না সেখানে। যদিও কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, বেশিরভাগ রাজ্যেই ভ্যাকসিন নষ্ট এবং অব্যবস্থার কারণেই ভ্যাকসিনের ঘাটতি দেখা দিচ্ছে৷

এই মুহূর্তে করোনা আতঙ্কে জেরবার সারা দেশ। তার মধ্যেই ভ্যাকসিনের ঘাটতি বাড়িয়ে তুলেছে চিন্তা। কিছু রাজ্যে ভ্যাকসিন একেবারে শেষের পথে। সেখানে বাধ্য হয়ে বন্ধ রাখতে হচ্ছে টিকাকরণ প্রক্রিয়াও। এই পরিস্থিতিতে করোনা টিকা নষ্টের খবর প্রকাশ্যে আসতেই বিশেষজ্ঞদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.