ছেলের মৃত্যুযন্ত্রণা সইতে পারলেন না বৃদ্ধা মা, ছেলের শোকে মৃত্যু মায়েরও

ছেলের মৃত্যুযন্ত্রণা সইতে পারলেন না বৃদ্ধা মা, ছেলের শোকে মৃত্যু মায়েরও
ছেলের মৃত্যুযন্ত্রণা সইতে পারলেন না বৃদ্ধা মা, ছেলের শোকে মৃত্যু মায়েরও / প্রতীকী ছবি

বংনিউজ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ বিহার থেকে বাংলায় এসেছিলেন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে। কিন্তু দুষ্কৃতীদের হামলায় মৃত্যু হয় বিহারের কিষানগঞ্জ থানার পুলিশ ইনস্পেক্টর অশ্বিনী কুমারের।

আর সেই মর্মান্তিক ঘটনার খবর, মৃত অফিসারের বাড়িতে পৌঁছাতেই ঘটল আরও এক অঘটন। ছেলে হারানোর যন্ত্রণা সহ্য করতে পারলেন না মৃত পুলিশ অফিসারের মা। ছেলের মৃত্যুর শোক সহ্য করতে না পেরে, তিনিও মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন।

উল্লেখ্য, একটি মামলার এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করার জন্য শুক্রবার গভীর রাতে উত্তর দিনাজপুর জেলার গোয়ালপোখর থানার পান্তাপাড়া গ্রামে আসেন বিহারের কিষানগঞ্জ থানার পুলিশ ইনস্পেক্টর অশ্বিনী কুমার। অভিযোগ ওঠে, সেখানেই অভিযুক্ত-সহ জনা কয়েক দুষ্কৃতীর হামলায় তাঁর মৃত্যু হয়।

মৃত অশ্বিনী কুমারের দেহ ময়নাতদন্তের পর, তাঁর বাড়িতে পৌঁছলে, ছেলের মৃত্যুর খবর সহ্য করতে না পেরে, সঙ্গে সঙ্গেই মৃত্যু হয় তাঁর মা, বছর ৭০-এর উর্মিলা দেবীর। পুলিশ জানিয়েছে, অশ্বিনী কুমারের মা উর্মিলা দেবীর হৃদরোগের সমস্যা ছিল বহুদিন ধরেই। রবিবার পূর্ণিয়ায় মা এবং ছেলের একইসঙ্গে শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।

এদিকে এই ঘটনা নিয়ে তোলপাড় শুরু হতেই, অভিযুক্ত যার বাড়িতে অশ্বিনী কুমারকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে, গোয়ালপোখরের বাসিন্দা সেই ফিরোজ আলম, তাঁর ভাই আবুজার আলম ও তাঁর স্ত্রী শাহিনুর খাতুনকে শনিবার সকালে গ্রেফতার করা হয়েছে, এমনটাই জানা গিয়েছে। এই ঘটনা প্রসঙ্গে বিহার পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, গণপিটুনির ঘটনায় প্রাথমিকভাবে খুনের মামলা রুজু করছিল না গোয়ালপোখর থানার পুলিশ। অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করা হচ্ছিল। তবে, পরে বিহার পুলিশের চাপে খুনের মামলা দায়ের করা হয় বলে দাবি করেছেন ওই পুলিশ আধিকারিক।