ভোটের ফল প্রকাশের আগের দিনই রাজ্যপালের সঙ্গে রাজভবনে সাক্ষাৎ মিঠুন চক্রবর্তীর
ভোটের ফল প্রকাশের আগের দিনই রাজ্যপালের সঙ্গে রাজভবনে সাক্ষাৎ মিঠুন চক্রবর্তীর

রাজ্যে শেষ বিধানসভা নির্বাচন। এবার পালা ফল প্রকাশের। আর মাত্র কয়েক ঘন্টা৷ রাত পেরোলেই ঠিক হয়ে যাবে বাংলা এবার কার দখলে। তা নিয়ে অবশ্য এর মধ্যেই বিজেপি-তৃণমূলের মধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে জোর তরজা। বিজেপির দাবী, বাংলায় সরকার গড়তে চলেছে তারাই। অন্যদিকে, তৃণমূল সুপ্রিমোর আত্মবিশ্বাসী কন্ঠ, রাজ্যের সিংহাসনে ফের বসতে চলেছে ঘাসফুলের সরকারই। এসবের মধ্যেই, ফল প্রকাশের ২৪ ঘন্টা আগে রাজভবনে গিয়ে হাজির হলেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে এখন জোর জল্পনার শুরু।

আজ, শনিবার সকালেই রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে সাক্ষাতে রাজভবনে গিয়ে হাজির হন মিঠুন চক্রবর্তী। যদিও এই সাক্ষাতের সঙ্গে রাজনৈতিক কোনও যোগাযোগ নেই বলেই জোর গলায় দাবী করেছেন অভিনেতা। পাশাপাশি তাঁর বক্তব্য, রাজ্যপালের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতেই রাজভবনে আসেন তিনি। মিঠুন জানান, তাঁর শারীরিক অসুস্থতার সময় নিয়ম করে খোঁজ নিয়েছিলেন রাজ্যপাল। সেসময় থেকেই রাজভবনে আসার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু রাজ্যে ভোটের কারণে তা সম্ভব হয়নি৷ এবার ভোট মেটার পর তাই চা খেতেই রাজ্যপালের কাছে আসেন তিনি।

যদিও এরপরও জল্পনা থামছে না৷ প্রসঙ্গত, বাংলায় ভোট শুরু কয়েক দিন আগেই বিজেপিতে নাম লিখিয়েছিলেন মিঠুন। গেরুয়া শিবিরের হয়ে ভোট প্রচারেও দেখা গিয়েছিল তাঁকে। নির্বাচনের সময় বেশ সক্রিয়ও ছিলেন তিনি। তাই অভিনেতার আচমকা রাজভবনে আসার পিছনে রাজনৈতিক কারণ থাকার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিশেষজ্ঞরা। তবে মিঠুনের দাবী, রাজ্যপালের সঙ্গে ভোট নিয়ে কোনও রকম কথাই হয়নি তাঁর।

অন্যদিকে, কিছুদিন আগেই গুজব রটে ‘মহাগুরু’ নাকি করোনা আক্রান্ত। ফলত তাঁর ভোট দেওয়া নিয়েও প্রশ্ন চিহ্ন পড়ে গিয়েছিল। তবে এই রটনাকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন দাবী করেন মিঠুন স্বয়ং। নিজের কেন্দ্রে সময় মতো ভোটও দেন। বৃহস্পতিবার, ভোট দেওয়ার পর মিঠুন বলেন, “এত শান্তিপূর্ণ ভোট আগে কখনও হয়নি।”

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.